
রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে বহিষ্কার করল বিএনপি
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেবেন না এ কে আজাদ
ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গবার (৩০ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় দেশের মানুষের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য স্বাধীনতার জন্য, মানবাধিকারের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য লড়াই করে গেছেন। জেল খেটেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন কিন্তু কখনো আপস করেননি।
তিনি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক, ঐক্যের প্রতীক। তিনি সংগ্রামী, আপসহীন, প্রজ্ঞাবান, বিচক্ষণ নেত্রী।
এই মহীয়সী নারীর মৃত্যুতে জাতি হারাল একজন অভিভাবক, দেশ হারাল একজন মহান রাষ্ট্রনায়ককে। আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য ইতিহাস দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণীয় করে রাখবে।
তাঁর মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত, মর্মাহত ও ব্যথিত।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের প্রাণের নেত্রী। সারা জীবন তিনি দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে সংগ্রাম করে গেছেন। শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত চট্টগ্রামকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভালোবাসতেন।
চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এ জাতির মুক্তির প্রতীক। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি সাহসী ও ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। চলমান সময়ে দেশনেত্রীর নেতৃত্বে পুরো দেশ এক কাতারে চলে এসেছে। তাঁর এই নেতৃত্ব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
তার মৃত্যুতে পুরো দেশের মানুষ শোকাহত।
আমীর খসরু বলেন, এই শোকের মুহূর্তে আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার পরিজন, দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দল ও সর্বস্তরের জনগণকে এই শোকাবহ সময়ে সংযম, ধৈর্য ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।


