টাঙ্গাইল শাড়ি পরে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বড়দিন উদযাপন
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
মিয়ানমারে পণ্য পাচারের সময় আটক ২২
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
টাঙ্গাইল শাড়ি পরে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বড়দিন উদযাপন
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫
মিয়ানমারে পণ্য পাচারের সময় আটক ২২
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫

তারেক রহমানের সংবর্ধনাস্থলে মানুষের ঢল, চলছে স্লোগান

এ সময় তারা ‘লিডার আসছে’ ‘খালেদা জিয়া, জিয়া খালেদা’, ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান, বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে বিপুল পরিমাণ নেতাকর্মী এরইমধ্যে জড়ো হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে সংবর্ধনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেকেই একদিন আগেই সংবর্ধনাস্থলে এসে হাজির হয়েছেন। সংবর্ধনাস্থলের সামনের সারিতে জায়গা ধরার জন্য তারা গতরাত থেকে সেখানে রাত্রিযাপন করেন। আবার ভোর থেকে কুড়িলের ৩০০ ফিট সড়ক ধরে বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে প্রবেশ করছেন। নেতাকর্মীরা তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে সমাবেশস্থলে আসছেন।

এ সময় তারা ‘লিডার আসছে’ ‘খালেদা জিয়া, জিয়া খালেদা’, ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান, বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’সহ নানা স্লোগান দিচ্ছেন।

রাজধানীর কুড়িলের সড়ক থেকে শুরু করে ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট সড়ক) সড়কে গণসংবর্ধনা মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মঞ্চের ব্যানারে লেখা রয়েছে- ‘জনাব তারেক রহমান এর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’। মঞ্চে দলের শীর্ষ নেতাদের জন্য চেয়ার রাখা হয়েছে। মঞ্চের চারপাশে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। মঞ্চের সামনে থেকে শুরু করে পুরো সড়কজুড়ে রাস্তার দুই পাশে তারেক রহমানকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে লাগানো হয়েছে বিভিন্ন রঙের ব্যানার-ফেস্টুন। আর কুড়িল মোড় থেকে বেশ খানিকটা দূরে সড়কের উত্তর অংশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি হয়েছে ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩৬ ফুট প্রস্থের মঞ্চ। মঞ্চে আসন পাবেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।

খুলনার রুপসা উপজেলা থেকে এসেছেন হামিদুর রহমান। তিনি উপজেলা বিএনপির একজন কর্মী। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, তারেক রহমানের আগমন বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ পরিবর্তন করবে। বর্তমান যে বিশৃংখল পরিস্থিতি দেশে তৈরি হয়েছে এ ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। ঐতিহাসিক এ মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হতে একদিন আগেই সমাবেশস্থলে চলে এসেছি।

চট্টগ্রামের রাউজান এলাকার ছাত্রদল কর্মী আবু হুরায়রা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বণিক বার্তাকে বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানকে একনজর দেখার ইচ্ছা বহুদিনের। এজন্য একদিন আগেই এখানে এসেছি। কিন্তু আজকের জনস্রোতে মনে হয় না প্রিয় নেতাকে দেখতে পাবো। তবু আমার আসাটা স্বার্থক। কারণ মনের বাসনা পূর্ণ হয়েছে।

বিমান বন্দর, পূর্বাচল, বনানী, যমুনা ফিউচার পার্ক প্রভৃতি পয়েন্ট দিয়ে নেতাকর্মীরা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিল নিয়ে আসছেন। তাদের স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো মিছিলের সঙ্গে রয়েছে ব্যান্ড বাদকের দল।

নেতাকর্মীদের খাবার ও পানির চাহিদা মেটাতে পথে পথে খাবার ও পানি বিক্রি করছেন হকাররা। কিছুদূর পরপর দেখা যাচ্ছে স্পিকার লাগানো ট্রাক ও বাস। গানের তালে তালে কর্মীরা উজ্জীবিত হয়ে উঠছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *