
যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উদযাপন
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি আন্তর্জাতিক বাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮৬ প্রবাসী বাংলাদেশীকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি হিসেবে নির্বাচিত করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৮৬ প্রবাসী বাংলাদেশীকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি হিসেবে নির্বাচিত করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রেরণের জন্য তিনটি ক্যাটাগরিতে ২০২৬ সালের জন্য তারা সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। গত রোববার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে সিআইপি নির্বাচনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ঢাকায় আজ ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ মর্যাদাপূর্ণ সনদ তুলে দেয়া হবে।
সরকার মোট তিনটি বিভাগে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা সিআইপি নির্বাচন করেছে। দেশে শিল্প ক্ষেত্রে সরাসরি বিনিয়োগকারী অনিবাসী বাংলাদেশী ক্যাটাগরিতে একজন, বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনিবাসী বাংলাদেশী ক্যাটাগরিতে ৭৫ জন ও বিদেশে বাংলাদেশী পণ্যের আমদানিকারক অনিবাসী বাংলাদেশী ক্যাটাগরিতে ১০ জনসহ সর্বমোট ৮৬ প্রবাসীকে সিআইপি নির্বাচন করা হয়েছে।
প্রতিবারের মতো এবারের তালিকায়ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রবাসীরা সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। দেশটি থেকে সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন ৪১ জন। এছাড়া ওমান থেকে সাতজন, যুক্তরাজ্য থেকে ছয়জন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার থেকে পাঁচজন করে নির্বাচিত হয়েছেন। তালিকায় রয়েছে সৌদি আরব, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোও।
চট্টগ্রাম জেলার ৩৪ জন সিআইপির মধ্যে উপজেলার দিক থেকে শীর্ষস্থান দখল করেছে হাটহাজারী (নয়জন) ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাউজান (আটজন)। এছাড়া নির্বাচিতদের মধ্যে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, রাউজান, ফটিকছড়ি, সাতকানিয়া, পাঁচলাইশ, পটিয়া, চান্দগাঁও ও চকবাজারসহ কুমিল্লা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ঢাকা, মৌলভীবাজার, জামালপুর, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঝালকাঠি ও নরসিংদীর প্রবাসীরা রয়েছেন।
বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী অনিবাসী বাংলাদেশী ক্যাটাগরিতে ২০২৬ সালের জন্য আরব আমিরাত থেকে সিআইপি হিসেবে নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মোহাম্মদ রুবেল, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ খালেদ, আবুল হাসেম, নিজাম উদ্দিন ও নূর নবী। চট্টগ্রামের রাউজান থেকে রয়েছেন নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সেলিম, সেলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ জাফর, মো. ওসমান আলী, ফরিদুল আলম ও হাসান মোরশেদ। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির ওসমান গণি, সাতকানিয়ার মহিউদ্দীন তালুকদার ও শহিদুল ইসলাম। চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থেকে সিআইপি হয়েছেন মাহাবুল আলম ও শেখ আবদুল আজাদ, পটিয়ার মুহাম্মদ আবুল বছর ও আবছার উদ্দিন, চান্দগাঁওয়ের মনজুরুল হক চৌধুরী ও আমিনুল হক এবং চকবাজারের শফিকুল ইসলাম রাহী।
নির্বাচিত সিআইপিরা আগামী দুই বছর রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এর মধ্যে রয়েছে সচিবালয়ে প্রবেশের পাস, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ, বিমান-রেল ও সড়কপথে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার, বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ‘চামেলী’ ব্যবহারের সুবিধা এবং নিজের ও পরিবারের সুচিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধা।


