অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ হচ্ছে ডিসেম্বরে, জেনে নিন করণীয়
অক্টোবর ৩১, ২০২৫
জেএসডির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সরকার ও ঐকমত্য কমিশন
নভেম্বর ১, ২০২৫
অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ হচ্ছে ডিসেম্বরে, জেনে নিন করণীয়
অক্টোবর ৩১, ২০২৫
জেএসডির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল বিশ্বাসঘাতকতা করেছে সরকার ও ঐকমত্য কমিশন
নভেম্বর ১, ২০২৫

কুমিল্লায় আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সরকারের ওপর অন্যায়ভাবে চাপ সৃষ্টি করছে বিএনপি

বিএনপি বর্তমানে অন্যায়ভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কার নিয়ে সব ঠিক।

বিএনপি বর্তমানে অন্যায়ভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেছেন, ‘সংস্কার নিয়ে সব ঠিক। আমরাও রাজি, বিএনপিও রাজি। ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে একমত হয়ে আমরা সবাই জুলাই সনদে স্বাক্ষরও করেছি। হঠাৎ বিএনপি উল্টে গেল। সেখানে নাকি একটি পৃষ্ঠা যোগ করা হয়েছে। এসব হলো ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা। কারণ এতটুকু সময় থেকে সব ঠিকঠাক করে এখন বিতর্ক করে বিএনপি নতুন সংশয় সৃষ্টি করছে।’

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার এলাকায় কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এ কথা বলেন। সেখানে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আয়োজিত ভোট কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

সবকিছু পর্যালোচনা শেষে সব দল একমত হয় জানিয়ে জামায়াতের এ নায়েবে আমির বলেন, ‘একটি সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে জুলাই সনদকে গ্রহণ করা হবে এবং এটার ওপর একটা গণভোট হবে। গণভোটের পর যে নির্বাচন হবে, সে সংসদের মাধ্যমে ২৭০ দিনে এটাকে সংবিধানে যুক্ত করা হবে। কিন্তু জুলাই সনদে স্বাক্ষরের পর বিএনপি এখন বলছে, আমরা এটাকে মানি না।’

ডা. তাহের বলেন, ‘বিএনপি যদি সংস্কার না মানে, তাহলে এ প্রক্রিয়ার শুরুর আগে তারা বলতে পারত। তখন হয়তো বিএনপি ছাড়াই জুলাই সনদ হতো বা হতো না। এতগুলো রাজনৈতিক দলের সময় নষ্ট করে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে সবাই যখন একটি জায়গায় পৌঁছেছে, তখনই তারা সংস্কারের বিরোধিতা করছে। আমি মনে করি, এটি বিএনপির দায়িত্বহীনতার পরিচয়। পরিকল্পিতভাবে দেশে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, এ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় তৈরির একটি অপকৌশল অবলম্বন করেছে তারা।’

গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় নিয়েই সংস্কার করতে হবে, শুরু থেকেই জামায়াতে ইসলামী এমনটা বলে আসছে—এ কথা উল্লেখ করে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘কারণ আমরা মনে করি জনগণই ক্ষমতার উৎস। এখন বিএনপি বলছে, জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই সঙ্গে হতে হবে। গণভোট হচ্ছে সংস্কারের জন্য আর জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে সরকার গঠনের জন্য। তারা তালের রস আর রামের রস একসঙ্গে মেশাতে চায়। বিএনপি সব জায়গায় গিয়ে ঝামেলা সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যদি নির্বাচন না হয়, তাহলে তো বিএনপির কোনো লাভ দেখছি না। তাহলে তারা এমনটা কেন করছে, আমার বুঝে আসে না। এতে তো যারা ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই আরেকটি সুযোগ পাবে।’

জামায়াতের এ নেতা আরো বলেন, ‘চাপের কাছে যদি এ সরকার নতি স্বীকার করে এবং সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে, তাহলে বুঝতে হবে তারা আর নিরপেক্ষ নেই। আর যদি তারা নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি আনুগত্য পোষণ করে, তাহলে সে সরকারের অধীন সুষ্ঠু নির্বাচন হবে আশা করা যায় না। তাছাড়া এ সরকারের ওপর মানুষ আস্থা রাখবে কিনা, সেটা নিয়েও এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কোনো দলের কাছে মাথানত করলে এ সরকারের প্রতি আস্থা রাখার কোনো সুযোগ আমাদেরও আর নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *