‘ঢাকা–১৮ আসনে পরিবর্তনের প্রতীক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন’
অক্টোবর ২৭, ২০২৫
গাকৃবির সঙ্গে সুপ্রিম সিড কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর
অক্টোবর ২৮, ২০২৫
‘ঢাকা–১৮ আসনে পরিবর্তনের প্রতীক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন’
অক্টোবর ২৭, ২০২৫
গাকৃবির সঙ্গে সুপ্রিম সিড কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর
অক্টোবর ২৮, ২০২৫

রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি হামিদুল হক

আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুমের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হককে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুমের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর বা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হককে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু সে প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি বলে ট্রাইব্যুনাল, গুম কমিশনসহ একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গুমের অভিযোগ আমলে নেয়ার আগ মুহূর্তে হামিদুল হক অনানুষ্ঠানিকভাবে একটি মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। ওই সময় হামিদুল হক দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে আয়নাঘরে রাখার বিরুদ্ধে তিনি অবস্থান নিয়েছিলেন। হামিদুল হক আরো দাবি করেন, আযমীকে আয়নাঘরে না রাখার জন্য তিনি সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলেন। রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়ে এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরতে হামিদুল হককে পরামর্শ দেয়া হয় ট্রাইব্যুনাল-সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে। কিন্তু সে প্রস্তাবে হামিদুল হক রাজি হননি বলে সূত্র জানায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গুমের অভিযোগ আমলে নেয়ার আগ মুহূর্তে হামিদুল হক অনানুষ্ঠানিকভাবে একটি মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। ওই সময় হামিদুল হক দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীকে আয়নাঘরে রাখার বিরুদ্ধে তিনি অবস্থান নিয়েছিলেন। হামিদুল হক আরো দাবি করেন, আযমীকে আয়নাঘরে না রাখার জন্য তিনি সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলেন। রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হয়ে এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরতে হামিদুল হককে পরামর্শ দেয়া হয় ট্রাইব্যুনাল-সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে। কিন্তু সে প্রস্তাবে হামিদুল হক রাজি হননি বলে সূত্র জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *