
দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমলো ৮৩৮৬
অক্টোবর ২৩, ২০২৫
বরিশাল বিভাগে বাড়ছে জলাতঙ্ক, নয় মাসে আক্রান্ত ১০ হাজারের বেশি মানুষ
অক্টোবর ২৩, ২০২৫ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে প্রার্থীকে অন্তত ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে সরকার। প্রশিক্ষণকালে প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতার ব্যবস্থাও থাকবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে প্রার্থীকে অন্তত ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে সরকার। প্রশিক্ষণকালে প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতার ব্যবস্থাও থাকবে। আগামী মাসের মধ্যেই এ নতুন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। গতকাল জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এখন থেকে প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন না। লাইসেন্স দেয়ার সব কমিটি বাতিল করে আন্তর্জাতিক মানে নতুন ব্যবস্থা চালু করা হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে চালকদের স্বীকৃত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ নিতে হবে। বর্তমানে বিআরটিসিসহ দেশে বেশ কয়েকটি বৈধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেখান থেকে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। প্রশিক্ষণে দুটি বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে—প্রথমত, সড়কের বিভিন্ন সাইন ও চিহ্ন সম্পর্কে জ্ঞান এবং দ্বিতীয়ত, যানবাহন সঠিকভাবে চালানো ও নিয়ন্ত্রণ করার দক্ষতা। কারণ বেশির ভাগ দুর্ঘটনা ঘটে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে।’
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত কাজগুলো বিআরটিএ থেকে সরিয়ে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোর মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে। এতে বিআরটিএর নিয়ন্ত্রণমূলক ক্ষমতা থাকবে না।’
সড়ক নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বছর নবমবারের মতো জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে গতকাল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। দিবসটির এবারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি’।
গতকাল জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় হাতিরঝিল থেকে সড়ক ভবন পর্যন্ত শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে বেলা ১১টায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংস্থা, সুশীল সমাজ, এনজিও ও পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি অংশ নেন।
দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিল থেকে সড়ক ভবন, জাহাঙ্গীরগেট থেকে ফার্মগেট, মহাখালী-আমতলী থেকে কাকলী মোড় এবং তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড় পর্যন্ত সড়কদ্বীপগুলো আলো ও ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বাস টার্মিনালে জনসচেতনতামূলক লিফলেট, পোস্টার, স্টিকার ও ব্রশিউর বিতরণ করা হয়। এছাড়া দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রচার এবং মোবাইল ফোনে বিটিআরসির মাধ্যমে খুদেবার্তা প্রচার করা হয়।


