
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করল গণফোরাম, অন্যদেরও সই করার আহ্বান আলী রিয়াজের
অক্টোবর ১৯, ২০২৫
অর্থনীতির গতি শ্লথই থাকছে চলতি প্রান্তিকে
অক্টোবর ২০, ২০২৫যখন আমরা জিজ্ঞেস করেছি কেন এটা (শাপলা) দেবেন না? তারা তখন ‘আজকে আমার মন ভালো নেই বা মন চাইলো না দিলাম না’ টাইপের ব্যাখ্যা দেন।
এ কমিশন আসলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, কমিশন যেন এমন কোনো স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত না নেয় যাতে করে নুরুল হুদা কমিশনের মতো পরিণতি হয়।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) রিমোট কন্ট্রোলটা অন্য জায়গায়। ইসি অন্য কোনো জায়গা থেকে পরিচালিত হয়। এটার নিয়ন্ত্রণ আগারগাঁওয়ে নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা যখনই তাদের সঙ্গে কথা বলি মনে হয় কোনো সিদ্ধান্ত তারা নিজেরা নেয় না। তাদেরকে (ইসি) অন্য কেউ চাপিয়ে দিয়ে দিচ্ছে বা বাধ্য করছে।
আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সিনিয়র সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন এনসিপির চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বর্তমান কমিশন ‘স্পাইনলেস’। তিনি আরো দাবি করেন, আগের মতোই এই নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রক্রিয়াতেও কোনো সুস্পষ্ট নীতিমালা ছিল না। কমিশনকে নিয়োগ দিয়েছে কিছু দল বা প্রতিষ্ঠান। আর যে সকল রাজনৈতিক দল বা প্রতিষ্ঠান তাদের নিয়োগ দিয়েছে, তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে।
এ এনসিপি নেতা আরো বলেন, এ কমিশন আসলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, কমিশন যেন এমন কোনো স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত না নেয় যাতে করে নুরুল হুদা কমিশনের মতো পরিণতি হয়। তার ভাষায়— দেশের মানুষ যখন জনবিদ্বেষে ফেটে পড়ে, তখন তাদের দমন করা যায় না। হয়তো দুই মাস, দুই বছর বা দশ বছর—কিন্তু একদিন জনবিস্ফোরণ ঘটবেই।
এছাড়াও তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে এনসিপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, এই কমিশনের স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ, প্রতিনিধিত্বমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন পরিচালনার কোনো যোগ্যতা নেই।
এছাড়াও এনসিপির প্রতীক নির্ধারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও এজেন্সির অনেক ধরনের আগ্রহ রয়েছে বলেও জানান তিনি। তার মতে, এটি একটি শঙ্কার বিষয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হাসনাত বলেন, শাপলা ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প অপশন নেই। তিনি অভিযোগ করেন যে, কমিশন এখনো কোনো স্পষ্ট নীতিমালা দেখাতে পারেনি বরং মার্কা নিয়ে ইসির বর্তমান আচরণ সারা জাতি দেখছে এবং সেটা হল স্বেচ্ছাচারী আচরণ। এভাবে ইসি ইনস্টিটিউশনাল অটোক্রেসি তৈরি করেছে। এবং তাদেরকে যখন আমরা জিজ্ঞেস করেছি কেন এটা (শাপলা) দেবেন না? এটার আইনগত ব্যাখ্যাটা কী? তারা তখন ‘আজকে আমার মন ভালো নেই বা মন চাইলো না দিলাম না’ টাইপের ব্যাখ্যা দেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মূসা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইসিতে অনুপস্থিত থাকায় কমিশন সচিবের সঙ্গেই বৈঠক করছেন তারা। এ বৈঠকে প্রতীক ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


