
ঐকমত্য কমিশনের অতিজরুরি বৈঠক জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংকট কাটেনি এখনো
অক্টোবর ১৬, ২০২৫
ফেলে শীর্ষে গোপালগঞ্জ, ৭ জেলায় পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে
অক্টোবর ১৬, ২০২৫নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদের আইনিভিত্তি ছাড়া অর্ডারে স্বাক্ষর করা মূল্যহীন হবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনুষ্ঠানে অংশীদার হবো না।
জুলাই সনদে সই করা না করার প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি। এই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগের দিনে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দলটি সংবাদ সম্মেলন করে এর আইনিভিত্তি দেওয়াসহ তিন দফা দাবি তুলেছে। সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আইনিভিত্তি ছাড়া সনদে স্বাক্ষর করা ‘মূল্যহীন হবে’।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করার জন্য যে তিনটি দাবি জানিয়েছে, এসব দাবির মধ্যে রয়েছে––জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ করতে হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া ‘জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়’ অনুসারে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জারি করবেন। জুলাই সনদের বৈধতার উৎস হতে হবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান।
জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কারের বিষয়ে গণভোট হবে। এতে নোট অব ডিসেন্টের আলাদা কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের প্রশ্ন কী হবে তা আগেই চূড়ান্ত করতে হবে এবং তা রাজনৈতিক দলগুলোকে দেখাতে হবে।
গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যদি জুলাই সনদের পক্ষে রায় দেয়, তবে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ এর কোনো কার্যকরিতা থাকবে না; গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কারকৃত সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’।
এই বিষয়গুলো নিশ্চিত না করে জুলাই সনদ সই করা হলে তা জনগণের সঙ্গে ‘ছলচাতুরি’ করা হবে বলে মনে করে এনসিপি। নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদের আইনিভিত্তি ছাড়া অর্ডারে স্বাক্ষর করা মূল্যহীন হবে। সেই বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনুষ্ঠানে অংশীদার হবো না।


