সিলেটের ১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী জট, সম্ভাব্যদের ঢাকায় তলব
অক্টোবর ১৬, ২০২৫
তিনটি দাবি পূরণ না হলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি
অক্টোবর ১৬, ২০২৫
সিলেটের ১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী জট, সম্ভাব্যদের ঢাকায় তলব
অক্টোবর ১৬, ২০২৫
তিনটি দাবি পূরণ না হলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি
অক্টোবর ১৬, ২০২৫

ঐকমত্য কমিশনের অতিজরুরি বৈঠক জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে সংকট কাটেনি এখনো

অনিশ্চয়তা কাটাতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দুইদিন আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে অতিজরুরি বৈঠকে বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে এর পরও সনদ স্বাক্ষর নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

 

অনিশ্চয়তা কাটাতে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দুইদিন আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে অতিজরুরি বৈঠকে বসেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে এর পরও সনদ স্বাক্ষর নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। গতকাল সন্ধ্যায় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে বের হয়ে নতুন সংকটের কথা বলেন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হয়ে প্রায় সোয়া ১ ঘণ্টা চলে এ অতিজরুরি বৈঠক। এতে কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারও উপস্থিত ছিলেন।

এ বৈঠকের পর সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহীল কাফি রতন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ ও বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা বের হয়ে সাংবাদিকদের সামনে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করার কথা বলেন। এ চার দলের নেতাদের পক্ষ থেকে মুখপাত্র হিসেবে বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি বাদ দেয়া, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপপ্রয়াস, নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে নানা সমস্যা রয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা চার দল—সিপিবি, গণফোরাম, বাসদ ও বাসদ মার্ক্সবাদী এ জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করব না। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত তুলে ধরতে আমরা এ চার দলের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (আজ) বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে জানাব।’

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করবে কি করবে না—সেটা এখনো বিবেচনাধীন বলে জানিয়েছেন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়গুলো জাতির কাছে অস্পষ্ট থাকে, তাহলে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে আমরা যেটা অর্জন করতে চাই; সেটাকে অর্জন হিসেবে সামনের দিকে প্রাপ্ত হওয়া অনিশ্চিত থেকে যাবে। এ কারণেই আমরা জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব কি করব না—সে বিষয়গুলো বিবেচনাধীন রেখেছি।’

জুলাই জাতীয় সনদে সই করার ক্ষেত্রে এনসিপির কিছু শর্ত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে জাতির সামনে স্পষ্ট পথনকশা উপস্থাপন করবে; আদেশের বিষয়ে কী হবে, গণভোটের প্রশ্ন কী হবে এবং সামনের সংবিধানে এ বিষয়গুলো কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে বিষয়গুলো খোলাসা করার দাবি জানিয়েছি।’

এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, ‘জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) মতো অনেকগুলো ইস্যু রয়েছে, সেই নোট অব ডিসেন্টগুলোকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে, নোট অব ডিসেন্টের পরিণতি কী হবে, সেগুলোকে কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে; সে বিষয়গুলো খোলাসা করা হয়নি। একই সঙ্গে যে আদেশের মাধ্যমে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে, সে আদেশ কীভাবে হবে, তা এখনো এনসিপির কাছে স্পষ্ট নয়।’

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশকে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ বা ‘সংবিধান সংস্কার আদেশ’ নামে জারির প্রস্তাব করেছেন জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, সে আদেশ যেন সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জারি করা আদেশ হয়, সে দাবি আমরা জানিয়েছি। কীভাবে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনগুলোকে সংস্কারকৃত সংবিধানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে বিষয়গুলো খোলাসা করেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হওয়া দরকার।

আগামী শুক্রবার জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিন ধার্য করা হয়েছে। শুক্রবারের আগে মাত্র একদিনে এনসিপির এসব দাবি পূরণ করা সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার হোসেন বলেন, ‘সময় যদিও অল্প, কিন্তু আমরা মনে করি, এটা রাজনৈতিক সদিচ্ছার ব্যাপার।’

তবে জুলাই সনদ স্বাক্ষর নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখছেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। গতকাল জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অতিজরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা জানতে চান—কোনো অনিশ্চয়তা আছে কি না? জবাবে তিনি বলেন, ‘সে রকম অনিশ্চয়তা আমরা দেখি না।’

সনদে স্বাক্ষর করবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘১৭ তারিখে (শুক্রবার) আমরা আশা করি, যাব। মাত্র একদিন বাকি আছে, ওই দিন গেলেই ইনশা আল্লাহ দেখে ফেলবেন।’ তিনি বলেন, ‘গণভোট আগে হতে হবে। তারা নভেম্বরে গণভোটের প্রস্তাব করেছে। নভেম্বরে গণভোট হলে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন, এটা তারা চায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট হলে তাতে ভোট পড়ার হার কম হবে। কারণ রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা তাদের পছন্দের মার্কায় ভোট দিতে বেশি আগ্রহী থাকবেন। তখন গণভোটের গুরুত্বই থাকবে না। সে জন্য গণভোট নভেম্বরে করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছি।’

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনকে বলেছি, যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে এবং কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সেগুলো একটি প্যাকেজ করে একটি প্যাকেজেই গণভোট হতে হবে।’

গণভোটের জন্য রাজি হওয়ায় বিএনপিকে ধন্যবাদ জানান জামায়াতে ইসলামীর ওই নেতা। তবে গণভোটের সময় নিয়ে ভিন্নতা থেকে গেছে উল্লেখ করে তাহের বলেন, ‘গণভোট হবে সংস্কার কমিশনের জন্য। জাতীয় নির্বাচন আলাদা বিষয়। গণভোটের এমন কিছু বিষয় আছে, যেগুলো নির্বাচনী আচরণে কিছু পরিবর্তন আনবে। উচ্চকক্ষ এবং পিআর সিস্টেম বাই ভোটার নট বাই দি এমপিস—এ ব্যাপারে সবাই একমত হয়েছেন। সুতরাং নির্বাচনের আগেই এ সিদ্ধান্ত জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে এবং সেই অনুযায়ী উচ্চকক্ষের ভোট হবে। যদি এটা নির্বাচনের দিনই হয়, তাহলে উচ্চকক্ষ তো পাস হলো না। তাহলে কি আবার একটা নির্বাচন হবে?’

বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘এ সংস্কার সারা জাতি চায়, আমরাও চাই। যে দলই ক্ষমতায় আসুক বা জাতীয় সংসদে যারাই মেজরিটি পাক, তাদের এটা বাস্তবায়ন করতেই হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে, তার আগে প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত হতে চেয়েছিলেন বিভিন্ন বিষয়ে। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সবাই অংশগ্রহণ করে এবং এটাকে একটা ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে আমরা সংরক্ষণ করি, স্বাক্ষর করি। আমরা সবাই সম্মত হয়েছি। বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলার সুযোগ হয়নি। কয়েকজন বক্তব্য রেখেছেন, সব দল অংশগ্রহণ করেনি। আমি আমার বক্তব্যে বলেছি, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই আমরা যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি। জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন হোক, অন্যান্য কর্মকাণ্ড হোক—সবকিছুর লক্ষ্য হবে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা—সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং একটা ক্রেডিবল ইলেকশন। এখন সেটা করার লক্ষ্যে আমরা জুলাই জাতীয় সনদ যেটা প্রণয়ন করছি তার সঙ্গে সম্পর্ক কী? আমি মনে করি, জুলাই জাতীয় সনদের সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই।’

সালাহউদ্দিন আরো বলেন, ‘এ সংস্কার সারা জাতি চায়, আমরাও চাই। যে দলই ক্ষমতায় আসুক বা জাতীয় সংসদে যারাই মেজরিটি পাক, তাদের এটা বাস্তবায়ন করতেই হবে। গণভোটের কথা আমরা বলেছি, সেই গণভোটে যাতে জনগণের পক্ষ থেকে একটা সার্বভৌম এখতিয়ার, কর্তৃত্ব প্রদান করা হয়। যাতে সেটা ম্যান্ডেটরি হয় জাতীয় সংসদের ওপর, সব সংসদ সদস্যের ওপর। যাতে এ সংস্কারগুলো, যেগুলো জনগণের পক্ষে রায় দেবে সেটা যেন গ্রহণ করি। কথা থাকল জুলাই জাতীয় সনদে কি কোনো প্রশ্ন থাকবে গণভোটের ব্যাপারে? একটাই প্রশ্ন থাকতে হবে, আমরা সবাই জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করব, যেসব বিষয়ে ভিন্নমত আছে, নোট অব ডিসেন্ট আছে, ওগুলো একদম পরিষ্কারভাবে দফাওয়ারি উল্লেখ থাকবে—কী কী বিষয়ে, কীভাবে নোট অব ডিসেন্ট আছে। কারণ নোট অব ডিসেন্ট দেয়ার এখতিয়ারের জন্যই তো আমরা ঐকমত্য কমিশনে আলাপ-আলোচনা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আলোচনার উদ্দেশ্যই ছিল যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত, সেগুলো সংকলিত করা। যেসব বিষয়ে দ্বিমত অথবা ভিন্নমত সেগুলো সংকলিত করা। আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হবে উইথ নোট অব ডিসেন্ট। যেসব বিষয়ে ভিন্নমত আছে, সেগুলো স্পষ্ট উল্লেখ করে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘সেভাবেই জুলাই জাতীয় সনদ প্রণীত হলে, স্বাক্ষরিত হলে গণভোটে একটাই প্রশ্ন থাকতে পারে যে জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, জনগণ তার পক্ষে আছে কি নেই; হ্যাঁ অথবা না বলুন। আমরা আশা করি, এ গণভোটে না ভোটের পরিমাণ হাতে গোনা যাবে। কারণ সমগ্র জাতি তো সংস্কারের পক্ষে। সুতরাং আমরা ধরেই নিতে পারি জনগণ সংস্কারের পক্ষে আছে। আমরা সবাই আছি। সব রাজনৈতিক দল আছে। এভাবে গণভোটে যে ফলাফল আসবে, তার একটা কারণ হলো সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী জনগণ যাতে গণভোটের মধ্য দিয়ে এমন একটা এখতিয়ার-কর্তৃত্ব দেয় সংসদকে, যাতে বাধ্যবাধকতা থাকে প্রতিপালনে-বাস্তবায়নে।’

এদিকে উৎসবমুখর পরিবেশে আগামী শুক্রবার জুলাই সনদ সই হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জুলাই সনদ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে তিনি বলেন, ‘আমরা উৎসবমুখরভাবে সেখানে যাব, এই দলিলে সই করব এবং উৎসব করব। পুরো জাতি এটায় শরিক হবে। আপনারা তাদের সামনের সারির মানুষ, যারা প্রকৃত সই করছেন। সারা দেশের মানুষ চিন্তার মধ্যে, তাদের ভাবনার মধ্যে আপনাদের সঙ্গে সই করছে। জাতির জন্য এটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘আজকে যে পয়েন্টে এসেছি সেটা একটা অবিশ্বাস্য কাণ্ড। আমি ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে গর্ববোধ করছি যে এ রকম একটা কাজ হয়েছে। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে গর্ববোধ করছি যে এ রকম একটা কাজের সঙ্গে আমি শরিক ছিলাম। যে অসম্ভব কাজ আপনারা করলেন এটা যুগ-যুগান্তরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, আমাদের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’

রাজনৈতিক দলের নেতাদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ প্রচেষ্টায় আপনাদের সবাইকে একত্র করে একটা জায়গায় এসেছে, জুলাই সনদ স্বাক্ষর হবে। অনুষ্ঠানে আপনাদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ দেয়ার সুযোগ হতো। কিন্তু সেটা তো আনুষ্ঠানিকতা। আমি একান্তভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই, ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ দিতে চাই। আমার এ ধন্যবাদ দেয়াটা একান্ত করণীয় মনে করে আমি আজকে আপনাদের সামনে এসেছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *