ইন্দোনেশিয়ার স্কুলভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪
অক্টোবর ৪, ২০২৫
শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধায় সিক্ত ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকষাসংগ্রামী আহমদ রফিক
অক্টোবর ৪, ২০২৫
ইন্দোনেশিয়ার স্কুলভবন ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪
অক্টোবর ৪, ২০২৫
শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধায় সিক্ত ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকষাসংগ্রামী আহমদ রফিক
অক্টোবর ৪, ২০২৫

দেশের নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে, উত্তরে তিস্তা-ধরলায় সতর্কতা

রংপুর বিভাগের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানির উচ্চতা গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা হ্রাস পেলেও আগামী তিন দিনে তা আবার বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় নদীগুলো সতর্কসীমার কাছাকাছি বা সাময়িকভাবে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলগুলোতে সাময়িক প্লাবন দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি নদীতে আগামী তিন দিনে পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে প্রকাশিত দৈনিক বন্যা পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগের কিছু এলাকায় এবং ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

আগামী দুই দিন (৪ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ৬ অক্টোবর সকাল ৯টা পর্যন্ত) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে এবং সংলগ্ন ভারতের প্রদেশগুলোতে বিচ্ছিন্নভাবে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানায় বাপাউবো।

রংপুর বিভাগের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানির উচ্চতা গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা হ্রাস পেলেও আগামী তিন দিনে তা আবার বৃদ্ধি পেতে পারে। এ সময় নদীগুলো সতর্কসীমার কাছাকাছি বা সাময়িকভাবে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলগুলোতে সাময়িক প্লাবন দেখা দিতে পারে।

ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, ভুগাই ও কংস নদীগুলোর পানির স্তরও আগামী দুই দিনে বাড়তে পারে।

এ সময়ে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার কিছু নিচু এলাকায় অল্পমাত্রার জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে।

রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের করতোয়া নদীর পানি এরইমধ্যে বেড়েছে। আর ঘাঘট, আত্রাই, পুনর্ভবা, টাঙ্গন ও মহানন্দা নদীগুলোতে আগামী তিন দিনে পানি দ্রুত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকায় গত ২৪ ঘণ্টায় পানি হ্রাস পেলেও আগামী দুই দিনে তা আবার বৃদ্ধি পেতে পারে। পরবর্তী তিন দিন স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিপদসীমার নিচেই থাকবে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় বর্তমানে পানি হ্রাস পাচ্ছে। আগামী দুই দিনে আরো কমে যেতে পারে, তবে তিন দিন পর থেকে পুনরায় বৃদ্ধি পেতে পারে।

সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় পানির স্তর বাড়ছে এবং আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায় — সকল প্রধান নদ-নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থাকলেও উজানে ও দেশের ভেতরে ভারি বৃষ্টির কারণে কয়েকটি নদীতে সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *