গাজায় ‘খাদ্য ও চিকিৎসা’ সরবরাহ নিশ্চিত’ করতে হবে, ইসরায়েলকে: জাতিসংঘ
অক্টোবর ২, ২০২৫
ছুটির দিনে স্বস্তি: ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’ মাত্রায় নেমে এলো
অক্টোবর ৩, ২০২৫
গাজায় ‘খাদ্য ও চিকিৎসা’ সরবরাহ নিশ্চিত’ করতে হবে, ইসরায়েলকে: জাতিসংঘ
অক্টোবর ২, ২০২৫
ছুটির দিনে স্বস্তি: ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’ মাত্রায় নেমে এলো
অক্টোবর ৩, ২০২৫

শিগগিরই ট্রাম্পের প্রস্তাবের জবাব দেবে হামাস

গাজায় যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্য নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে হামাস- এমনটা জানিয়ে নাজ্জাল বলেন, সময় আমাদের ঘাড়ের ওপর তলোয়ার হয়ে ঝুলছে- এমন কোনো চাপ মাথায় নিয়ে আমরা আলোচনা করছি না।
ফিলিস্তিনের গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধে শিগগিরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাবের জবাব দেয়া হবে বলে জানিয়েছে হামাস। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ নাজ্জাল আল জাজিরা আরবিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে নাজ্জাল বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও প্রতিরোধের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে হামাসের।

গাজায় যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্য নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে হামাস- এমনটা জানিয়ে নাজ্জাল বলেন, সময় আমাদের ঘাড়ের ওপর তলোয়ার হয়ে ঝুলছে- এমন কোনো চাপ মাথায় নিয়ে আমরা আলোচনা করছি না।

এর আগে গত সোমবার গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও জিম্মিদের মুক্তি সংক্রান্ত ২০ দফা প্রস্তাব প্রকাশ করেন ট্রাম্প। পরদিন তিনি বলেন, হামাসের হাতে প্রস্তাবের জবাব দেয়ার জন্য ‘তিন বা চার দিন’ সময় আছে।

এদিকে ট্রাম্পের শান্তি প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আজ আমরা গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার অগ্রগতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছি। এর প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও পড়বে।

ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমি আপনার গাজায় যুদ্ধ শেষ করার পরিকল্পনাকে সমর্থন করি, যা আমাদের যুদ্ধের লক্ষ্যগুলো অর্জন করে। এটি আমাদের সব বন্দিকে ইসরাইলে ফেরত আনবে, হামাসের সামরিক সক্ষমতা এবং তার রাজনৈতিক শাসনকে অচল করে দেবে এবং নিশ্চিত করবে যে গাজা আর কখনো ইসরাইলের জন্য হুমকি হবে না।

প্রস্তাব অনুযায়ী, হামাস সম্মতি জানালে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত সব জিম্মি মুক্তি পাবেন। অপরদিকে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেবে। সেখানে আমেরিকান, ইউরোপ ও আরব দেশগুলো নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন করা হবে, যেটির মূল দায়িত্বে থাকবেন ট্রাম্প।

এছাড়া গাজার বাসিন্দারা সেখানেই থাকবেন। তাদের অন্য কোনো দেশে জোরপূর্বক পাঠানোর চেষ্টা করা হবে না। হামাসের ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির মাধ্যমে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *