
গোপনই থাকছে ট্রাম্পের গোপন নথি মামলার রিপোর্ট
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
কুমিল্লা ও দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়ার এক সপ্তাহের মাথায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে নয় জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব পদমর্যাদায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে গতকাল এ নিয়োগ বাতিল করা হয়। সরকারের এ অফিস আদেশ শিগগিরই কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হওয়া সচিবরা হলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) এএম আকমল হোসেন আজাদ, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান (জ্যেষ্ঠ সচিব) মোহাম্মদ ইউসূফ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মমতাজ আহমেদ, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক বেগম শরিফা খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (জ্যেষ্ঠ সচিব) সিদ্দিক জোবায়ের, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) মো. মোখলেস উর রহমান এবং পরিকল্পনা কমিশনের কাইয়ুম আরা বেগম।
জানা যায়, সচিবালয়ে গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে মেধাবী কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তাদের বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।
এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় তিন সচিবকে তাদের পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করেছে সরকার। তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা জানানো হয়েছে। এ তিন সচিব হলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লাহ পান্না এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন।
এদিকে সরকারি কর্মচারী বাতায়নের তথ্য অনুযায়ী, বিএনপি দায়িত্ব নেয়ার সময় জ্যেষ্ঠ সচিব ও সচিব পদমর্যাদার অন্তত ১৮ কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে নয়জনের চুক্তি বাতিলের মধ্য দিয়ে বর্তমান চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াল নয়জনে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তাদের বদলির ঘটনা নিয়মিত কর্মকর্তাদের অনেকের মধ্যে হতাশার জন্ম দেয়। সাধারণত নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে কোনো কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হয়। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সরকার প্রয়োজনে তা বন্ধ করে দেয় বা চুক্তি নবায়ন করে। এ ধরনের কর্মকর্তাদের সাধারণত বদলি করা হয় না।


