রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
বাংলাদেশী ৭০ জেলেকে ফেরত দিয়েছে আরাকান আর্মি
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬
রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
বাংলাদেশী ৭০ জেলেকে ফেরত দিয়েছে আরাকান আর্মি
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের শপথ আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ নিয়ে সংশয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যরা আজ শপথ নেবেন। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেয়ার কথা রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যরা আজ শপথ নেবেন। সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ নিয়ে সংশয় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বা আজ সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদা শপথ নেবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ দলটির মতে, বর্তমান সংবিধানে সংবিধান সংস্কার পরিষদ বলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে বিভিন্ন পদের শপথের বিষয়ে বলা আছে। সেখানে সংসদ সদস্যদের শপথের কথা আছে। কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বিষয় নেই।

এ রকম পরিস্থিতিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়ার বিষয়ে বিএনপি সংবিধানকেই অনুসরণ করতে আগ্রহী বলে গত রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা গেছে। গতকাল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ, এটা যদি কনস্টিটিউশনে (সংবিধান) ধারণ হয়, সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ট (সংশোধন) হয় এবং সেই শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ফরম হয়, কে শপথ পাঠ করাবেন সেটা নির্ধারিত হয়—এতগুলো হয়-এর পরে তারপর হলে হতে পারে।’

অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা আজ সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে আগ্রহী।

অন্যদিকে জটিলতা কিংবা সংশয় তৈরি হলেও সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দুটি শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উল্লেখ্য, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের বিষয়টি ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এ উল্লেখ আছে। আদেশের শপথ এবং শপথ পাঠ পরিচালনা অংশে বলা আছে, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ সংসদ-সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণের পর একই শপথ অনুষ্ঠানে এই আদেশের তফসিল-২ অনুযায়ী পরিষদ-সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা (এই অনুচ্ছেদে “শপথ” বলিয়া অভিহিত) করিবেন এবং অনুরূপ শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর দান করিবেন।’

আরো বলা আছে, ‘সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের ক্ষেত্রে যিনি শপথ-পাঠ পরিচালনা করিবেন তিনিই এই আদেশের তফসিল-২ এ বিধৃত ফরমে পরিষদ-সদস্যদের শপথ-পাঠ পরিচালনা করিবেন।’

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলেও নির্বাচিত জাতীয় সংসদেরই সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব থাকবে বলে মনে করেন আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সংসদের মাধ্যমে গণভোটের বিধানটি পাস করিয়ে নেয়ার প্রয়োজন হবে।

কেননা আদালত একটি আইনকে বাতিল বা বেআইনি ঘোষণা করতে পারেন। কিন্তু কোনো আইনকে পুনরুজ্জীবিত বা কার্যকরভাবে ফিরিয়ে আনতে তা জাতীয় সংসদে পাস করাতে হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পাস হলেই যে এখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের বিষয়ে বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে এমন নয়। সংসদে গণভোটের বিষয়টি পাস করানোর পরই সে শপথ পাঠের প্রক্রিয়াটি শুরু হবে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে ২০১১ সালে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর আদালত সেই ধারাটি বাতিল ঘোষণা করে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনেন। তবে আদালতের রায়ে গণভোটের বিধানটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বহাল হওয়া নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কেননা জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এর ৬ ধারা অনুযায়ী কোনো আইনকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে তা সংসদে পাস করানোর প্রয়োজন হবে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের ‘গণভোট’ অধ্যায়ে এ বিষয়গুলো সরাসরি উল্লেখ করা আছে। সেই সঙ্গে ‘গণভোটের বিধানটি সংসদে উপস্থাপন করে পাস করানোর সুপারিশ’ যুক্ত করা আছে।

নির্বাচন কমিশনের গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন। অন্যদিকে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬‍ জন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্যদের শপথে কোনো বাধা নেই বলে বণিক বার্তাকে গতকাল জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ‘গণভোট যেহেতু জয়ী হয়েছে, আমরা সংসদ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ দুটির শপথই নেব। বিএনপি শপথ নেবে কিনা তার ওপর আমাদের শপথ নেয়া, না-নেয়া নির্ভর করছে না।’

হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূইয়া বণিক বার্তাকে বলেন, ‘গণভোটে হ্যাঁ পাস হয়েছে। ফলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার আদেশও পাস হয়ে গেল। জনগণ ভোট দিয়েই সেটি পাস করিয়েছে। এখানে সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। সুতরাং আদেশটির সাংবিধানিক বৈধতা পেল। এতে আগামীকাল (আজ) সংসদ সদস্যদের শপথের সঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদেরও শপথ পাঠ করাতে হবে বা করানো উচিত। এর ব্যত্যয় ঘটলে জনগণের রায়কে উপেক্ষা করা হবে।’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নিয়ে সংশয় তৈরি হলেও গতকাল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের সই করা এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। চিঠিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং সংসদ সদস্য—দুটি শপথ নেয়ার প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে শুধু একটি নেয়ার কথা বলা হলে আমরা (এনসিপি) শপথ নেব না।’

গতকাল এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ আগামীকাল নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। ‘সংবিধানে নেই’ মর্মে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নিতে চান, তাহলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথেরও কোনো মানে নেই।’

জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে গতকাল সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা-১-এর পরিচালক (উপসচিব) মো. এমাদুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে পর্যায়ক্রমে এ শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরই মধ্যে শপথের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হচ্ছে। তবে কোনো কারণে কেউ আমন্ত্রণপত্র না পেলে, শপথের দিন সংসদ ভবনের টানেলের ভেতরের প্রধান প্রবেশপথে থাকা ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে তা সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি শপথ গ্রহণে অংশ নিতে নির্বাচিত সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পরই সংসদীয় দলের বৈঠক আহ্বান করেছে বিএনপি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী এ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠান শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় সংসদ ভবনেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা হবে। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংসদীয় দলের এ সভায় সংসদ নেতা নির্বাচন হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে আমাদের দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন ইনশা আল্লাহ।’

আজ বিকালে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের কথা জানিয়েছেন নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। নতুন সরকারের শপথ ঘিরে অন্তর্বর্তী সরকারের দিক থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, সেসব বিষয়ে বিএনপিকে জানাতে গতকাল বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গিয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।

সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পাওয়া সংসদ সদস্যদের শপথ সংসদের শপথকক্ষে আর মন্ত্রীদের শপথ বাইরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।’

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন দেশী-বিদেশী অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বিএনপি। রীতি অনুযায়ী এতদিন শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনে হলেও এবার তা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

বিএনপির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আমন্ত্রিত বিদেশী অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল।

এছাড়া নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা ও শ্রীলংকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নলিন্দা জয়তিসার-এর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রাও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জাসদ। গতকাল এক বিবৃতিতে ওই শপথকে ‘সংবিধান-বহির্ভূত’ ও ‘অতিরিক্ত’ অভিহিত করে এ আহ্বান জানায় দলটি।

এদিকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আজ হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান। এতে উপস্থিত থাকবেন ১ হাজারের বেশি দেশী-বিদেশী অতিথি। অনুষ্ঠান ঘিরে নেয়া হয়েছে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শপথ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করবে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাবের ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ও কে-নাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট। গতকাল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে কঠোর নিরাপত্তা প্রস্তুতির তথ্য জানা যায়। মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা বাসা থেকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওনা দেয়ার সময় থেকেই দেয়া হবে নিরাপত্তা। প্রটোকলের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে তাদের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়ি।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এসএন মো. নজরুল ইসলাম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আনা-নেয়া থেকে শুরু করে রুটকেন্দ্রিক এবং সংসদ ভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় থাকবেন পুলিশ, র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। কোনো শঙ্কা না থাকলেও নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবির পর্যাপ্তসংখ্যক সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। নিরাপত্তাসংক্রান্ত কোনো হুমকির আশঙ্কা করছি না। অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারব বলে আশা করছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *