
ভেনেজুয়েলা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সতর্ক উত্তর কোরিয়া, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা
জানুয়ারি ৫, ২০২৬
ডিসি অফিসে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ
জানুয়ারি ৫, ২০২৬বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা। বৈঠকে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি যেন ভবিষ্যতে রাজনীতিতে কোনো ভূমিকা রাখতে না পারে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশিদ ফিরোজ।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এরপর সিপিবি ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানাতে সেখানে যান। শোক প্রকাশের পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, “২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই নতুন পরিস্থিতিতে সরকার ও বিরোধীদল সবাই মিলে দেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তারেক রহমান আমাদের জানিয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু আমরা মনে করি, ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিগুলো যেন কোনোভাবেই রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে বিষয়ে এখনই স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া জরুরি। এ ব্যাপারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতি আমরা আহ্বান জানিয়েছি।”
বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ নির্বাচন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা মনে করেন, বর্তমান সময়টি রাজনৈতিক ঐক্য ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর সমন্বয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসঙ্গত, কমরেড বজলুর রশিদ ফিরোজ গত ১ অক্টোবর থেকে পরবর্তী তিন মাসের জন্য বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন, যা বর্তমানে বলবৎ রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক দেশের রাজনীতিতে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। গণতান্ত্রিক ও বাম রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ ও সংলাপ ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমঝোতা ও ঐক্যের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন তারা।


