পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ প্রাণহানি
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
সরকারের রাজস্ব, ঋণ ও বাজেট বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান প্রকাশে ধীরগতি
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ প্রাণহানি
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
সরকারের রাজস্ব, ঋণ ও বাজেট বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান প্রকাশে ধীরগতি
সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

বগুড়ার ধুনটে আবার ভাঙছে যমুনা

 

নদীর পানি কমতে থাকলেও ভাঙন থামছে না। এতে নদীতীর, বসতভিটা, আবাদি জমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় আবারো যমুনা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর পানি কমতে থাকলেও ভাঙন থামছে না। এতে নদীতীর, বসতভিটা, আবাদি জমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার শহরাবাড়ি নৌবন্দর এলাকায় গত তিন মাসে প্রায় ৬০০ মিটার এলাকা নদীতে চলে গেছে। নতুন করে গত রোববার সন্ধ্যায় সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও উপজেলা প্রশাসন বালিভর্তি জিওব্যাগ ও টিউব ফেললেও তা পুরোপুরি ঠেকানো যাচ্ছে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক মাস ধরে শহরাবাড়ি এলাকায় যমুনার ভাঙন তীব্র হয়েছে। প্রথম দিকে ধীরে ধীরে ভাঙন শুরু হলেও বর্তমানে পানি কম থাকার পরও নদীতীর ভেঙে পড়ছে। এতে অনেক পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। একই সঙ্গে আবাদি জমি ও আয়-রোজগারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও নদীতে চলে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‌রোববার সন্ধ্যায় শহরাবাড়ি ঘাটে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। গতকাল সকালেও ভাঙনের চিত্র স্পষ্ট ছিল। একের পর এক ভাঙনে নদীতীর ছোট হয়ে আসছে। কয়েক দিনে বেশ কয়েকজন কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। অনেকে তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন।’

স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কারণে যেসব জায়গায় একসময় মানুষের বসতবাড়ি ছিল, সেসব স্থান এখন নদীতে। গত তিন মাসে একই এলাকায় প্রায় ৬০০ মিটার নদীতীর ভেঙে গেছে। এতে বসতভিটা, জমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেকে। ভাঙন ঠেকাতে তিন মাস ধরে নদীতীরে বালিভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙন ঠেকাতে বিপুল অর্থ ব্যয় করে জিওব্যাগ ফেলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। প্রতি বছর জিওব্যাগ ফেলে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর পরিবর্তে যমুনার তীর রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে শহরাবাড়ি ঘাটসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

বগুড়া পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক বলেন, ‘নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় বালিভর্তি জিওব্যাগ ও টিউব ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু পানির স্রোতের কারণে ভাঙন পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না। শ্রমিকরা কাজ করছেন। জিওব্যাগ যথাযথভাবে বসানো গেলে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হবে।’

শহরাবাড়ি এলাকায় ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‌এরই মধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *