বিশ্ববাজারে কেন স্থির হয়ে আছে সয়াবিন তেলের দাম
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দ্রুতই কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসবে সৌদি আরামকোর
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিশ্ববাজারে কেন স্থির হয়ে আছে সয়াবিন তেলের দাম
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দ্রুতই কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসবে সৌদি আরামকোর
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

বিশ্বজুড়ে আগস্টে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন কমেছে

এ সময়ে ৭০টি দেশ মোট ১৪ কোটি ৪২ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন করেছে। গত বছরের আগস্টে এসব দেশে উৎপাদন ছিল এর চেয়ে বেশি।
বিশ্বজুড়ে চলতি বছরের আগস্টে অপরিশোধিত ইস্পাত উৎপাদন কমেছে ১ দশমিক ২ শতাংশ। এ সময়ে ৭০টি দেশ মোট ১৪ কোটি ৪২ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন করেছে। গত বছরের আগস্টে এসব দেশে উৎপাদন ছিল এর চেয়ে বেশি। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড স্টিল অ্যাসোসিয়েশনের (ওয়ার্ল্ডস্টিল) দেয়া প্রতিবেদন থেকে এ হিসাব পাওয়া গেছে। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ।
বিশ্বের মোট ইস্পাত উৎপাদনের প্রায় ৯৮ শতাংশ ৭০টি দেশের আওতায় রয়েছে। আগস্টে সবচেয়ে বেশি ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলে। এ অঞ্চলে উৎপাদন হয়েছে ১০ কোটি ৬৭ লাখ টন। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় উৎপাদন ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। রাশিয়া ও অন্যান্য সিআইএস দেশসহ ইউক্রেনে উৎপাদন ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৬৩ লাখ টন হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নেও (ইইউ) উৎপাদন ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮৯ লাখ টনে।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইস্পাত উৎপাদক চীনের উৎপাদনও কমেছে। আগস্টে দেশটি ৭ কোটি ৪৬ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন করেছে, যা এক বছর আগের তুলনায় কমেছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক ভারত উৎপাদন বাড়িয়েছে। আগস্টে দেশটির ইস্পাত উৎপাদন ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৪৮ লাখ টনে পৌঁছায়।
যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে আনুমানিক ৭৩ লাখ টন। দেশটির উৎপাদন বেড়েছে ৩ শতাংশ। জাপান ৬৭ লাখ টন উৎপাদন করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
রাশিয়ায় উৎপাদন সামান্য কমে ৫৫ লাখ টনে নেমেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় উৎপাদন ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৫৪ লাখ টন হয়েছে।
ইউরোপের বড় উৎপাদক জার্মানিতে আগস্টে ২৬ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন হয়েছে। দেশটির উৎপাদন বেড়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ। তুরস্কে উৎপাদন সামান্য কমে ৩৪ লাখ টন হয়েছে। ব্রাজিলে উৎপাদন ৬ দশমিক ২ শতাংশ কমে ২৭ লাখ টনে নেমেছে।
শীর্ষ ১০ উৎপাদক দেশের মধ্যে ভিয়েতনামে উৎপাদন সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। আগস্টে দেশটি ২৭ লাখ টন ইস্পাত উৎপাদন করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
অঞ্চলভেদে উৎপাদনের চিত্রও ছিল ভিন্ন। আফ্রিকায় উৎপাদন ৮ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ২১ লাখ টন হয়েছে। উত্তর আমেরিকায় উৎপাদন বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে ৯৪ লাখ টন। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উৎপাদন ৪ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৩৭ লাখ টনে নেমেছে। দক্ষিণ আমেরিকায় উৎপাদন কমেছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *