ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করল ক্রিকেট বোর্ড
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
মালয়েশিয়ার মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাবেন কেবল ৩১ দেশের নাগরিকরা
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
ঘরোয়া ক্রিকেটে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করল ক্রিকেট বোর্ড
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
মালয়েশিয়ার মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাবেন কেবল ৩১ দেশের নাগরিকরা
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংকের অংশগ্রহণমূলক চুক্তি উত্তরাঞ্চলে কৃষি অর্থনীতির সম্প্রসারণে ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পুনঃঅর্থায়ন স্কিমটির মূল লক্ষ্য কৃষি খাতের উৎপাদন থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাত ও বিপণন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র স্থাপন ও সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতির সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ব্যাংক ৩ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম বা তহবিল গঠন করেছে। এতে অংশ নিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে পৃথক অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ওয়ান ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এসবিএসি ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক। এ উপলক্ষে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহম্মদ, নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান ও কৃষি ঋণ বিভাগ ২-এর পরিচালক একেএম সাইদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে স্কিমে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোর পক্ষে ছিলেন শীর্ষ নির্বাহীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, এ স্কিমের মোট তহবিলের ১৫ শতাংশ কৃষি উৎপাদন খাতে বরাদ্দ থাকবে। এর আওতায় শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, কৃষি যন্ত্রপাতি ও গ্রামীণ ঋণ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ৩৫ শতাংশ কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে এবং ১৫ শতাংশ কৃষিপণ্য রফতানি ও রফতানিমুখী কার্যক্রমে সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পুনঃঅর্থায়ন স্কিমটির মূল লক্ষ্য কৃষি খাতের উৎপাদন থেকে শুরু করে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাত ও বিপণন পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অর্থায়ন নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কৃষিপণ্যের সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী করা এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি কার্যকর ও গতিশীল এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, এ স্কিমের আওতায় অর্থায়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের বিকাশে সহায়তা মিলবে। একই সঙ্গে রফতানিমুখী কৃষি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *