মার্কিন এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি ফি’র প্রস্তাব
আগস্ট ২৫, ২০২৬
বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সীমান্ত হাট চালু ও সুতা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আলোচনা
আগস্ট ২৫, ২০২৬
মার্কিন এইচ-১বি ভিসায় এক লাখ ডলারের বেশি ফি’র প্রস্তাব
আগস্ট ২৫, ২০২৬
বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক সীমান্ত হাট চালু ও সুতা আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আলোচনা
আগস্ট ২৫, ২০২৬

ইরানের বাণিজ্য অংশীদারদের ডলারভিত্তিক লেনদেন থেকে বিচ্ছিন্ন করার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে দেশ ও কোম্পানিগুলোকে সময় দেয়া হবে। যারা তা করবে না, তাদের ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। কোন কোন দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বা কবে এসব ব্যবস্থা কার্যকর হবে, তা অবশ্য তিনি জানাননি

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরো বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোকে সতর্ক করে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। একইসঙ্গে নতুন নিষেধাজ্ঞার পাল্টা জবাব দেয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, গতকাল ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন বেসেন্ট। এতে ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

বেসেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করতে দেশ ও কোম্পানিগুলোকে সময় দেয়া হবে। যারা তা করবে না, তাদের ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বাদ দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। কোন কোন দেশকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বা কবে এসব ব্যবস্থা কার্যকর হবে, তা অবশ্য তিনি জানাননি।

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা ধ্বংস’ করতে চান না বলেই আপাতত সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ থেকে বিরত রয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরানকে সহায়তা করা কোনো প্রতিষ্ঠানই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে নয়।

এদিকে নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার পর ইরানের অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলায় তার দেশ পুরোপুরি প্রস্তুত। ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক চাপ বাড়ালে তারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে এবং উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেল রফতানি আরো কমিয়ে দিতে পারে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বিও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানের অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়লে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ ও জ্বালানি সরবরাহের পথগুলোয় বড় ধরনের আঘাত হানা হতে পারে।

চীনের ওপর নজর ওয়াশিংটনের

ইরানের সবচেয়ে বড় জ্বালানি তেল ক্রেতা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়েও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের জ্বালানি তেল বাণিজ্যে সহায়তার অভিযোগ থাকা চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সোমবারের নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনা ব্যাংকগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে বেইজিং পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারে। আগামী মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য বৈঠকের আগে ওয়াশিংটন তাই এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করছে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগ কোনো সমস্যার সমাধান করে না। চীনের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির গতকাল তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে এটি পাকিস্তানের নতুন একটি কূটনৈতিক উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে জবরদস্তি ও চাপের পথ থেকে সরে আসতে হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *