পলিসিলিকন পণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক বসাবে ট্রাম্প প্রশাসন
আগস্ট ৮, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে পর্যটন খাতের মন্দা সত্ত্বেও থিম পার্কে ডিজনির রেকর্ড ব্যবসা
আগস্ট ৮, ২০২৬
পলিসিলিকন পণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক বসাবে ট্রাম্প প্রশাসন
আগস্ট ৮, ২০২৬
বিশ্বজুড়ে পর্যটন খাতের মন্দা সত্ত্বেও থিম পার্কে ডিজনির রেকর্ড ব্যবসা
আগস্ট ৮, ২০২৬

মার্কিন শুল্কে সিঙ্গাপুরের ৭৪০ কোটি ডলারের রফতানি ঝুঁকিতে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কে সিঙ্গাপুরের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

এর আর্থিক পরিমাণ প্রায় ৯৫০ কোটি সিঙ্গাপুর ডলার বা ৭৪০ কোটি ডলার। সম্প্রতি দেশটির পার্লামেন্টে এ তথ্য জানিয়েছে বাণিজ্যমন্ত্রী গান কিম ইয়ং। খবর রয়টার্স।

গত ২৪ জুলাই সিঙ্গাপুরসহ ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

উদ্ভূত পরিস্থিতি বর্ণনা করে গান কিম ইয়ং বলেন, ‘১৯৭৪ সালের মার্কিন ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারার আওতায় আরোপ করা এ শুল্কে সিঙ্গাপুরের মোট রফতানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পণ্য অন্তর্ভুক্ত হবে। এর মধ্যে অপটিক্যাল যন্ত্রপাতি ও রাসায়নিক পণ্য রয়েছে। তবে জ্বালানি ও জ্বালানি পণ্য, নির্দিষ্ট কিছু ইলেকট্রনিকস ও মহাকাশ শিল্পের পণ্য, সেমিকন্ডাক্টর এবং ওষুধ এ শুল্কের আওতামুক্ত থাকবে।’

সিঙ্গাপুরের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ‘দেশটিতে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার মতো আইন নেই। পাশাপাশি এ ধরনের আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের কোনো পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিও নেই।’

এ অভিযোগ অস্বীকার করে সিঙ্গাপুরের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ নেই। একই সঙ্গে যেসব দেশে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার আইন আগে থেকেই রয়েছে, তারাও এ শুল্ক থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি পায়নি। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনও রয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো চুক্তির বিষয়টি সিঙ্গাপুরকে সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে বলেও জানান তিনি। কারণ এ ধরনের চুক্তিতে শুধু আমদানি নিষেধাজ্ঞার বিষয়ই নয়, রফতানি নিয়ন্ত্রণ কিংবা তৃতীয় দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যসংক্রান্ত বিধিনিষেধের মতো অতিরিক্ত শর্তও থাকতে পারে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুরের পণ্য ও সেবা বাণিজ্যের বার্ষিক পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন সিঙ্গাপুর ডলার। এর মধ্যে পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। ফলে আমদানি নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত যেকোনো পদক্ষেপের তাৎপর্য হবে ব্যাপক।’

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে ৩৬০ কোটি ডলারের উদ্বৃত্ত ছিল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *