জুলাই গণহত্যার বিচার বিএনপি সরকারই বাস্তবায়ন করবে : রাশেদ খাঁন
আগস্ট ১, ২০২৬
এক আঙুলের ছাপ দিয়ে আজ তারা ‘রোহিঙ্গা’
আগস্ট ২, ২০২৬
জুলাই গণহত্যার বিচার বিএনপি সরকারই বাস্তবায়ন করবে : রাশেদ খাঁন
আগস্ট ১, ২০২৬
এক আঙুলের ছাপ দিয়ে আজ তারা ‘রোহিঙ্গা’
আগস্ট ২, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী না চাইলে সরকারের সবাই দুর্নীতিতে জড়ায় কীভাবে: বিরোধীদলীয় নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি না চান, তাহলে সরকারের সবাই কীভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়েছে- এই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। জামায়াত আমির বলেন, যখন সরকার নিজেই ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেছে, তখন নৈতিক দিক থেকে তারা দেশ পরিচালনার অধিকার হারিয়েছে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।

গতকাল বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই চার-পাঁচ মাসের মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতায় আমি দেখছি যে, কিছুই বদলায়নি। যারা ঘুষ খেত তারা একইভাবে ঘুষ খাওয়ার ফন্দিফিকির করছে, একইভাবে যারা আটকে দিতো ভালো একটা কাজকে, আটকে দিচ্ছে। মির্জা ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া পাঁচ মাসে আর কোনো বদল হয়নি।

এ বক্তব্যের প্রসঙ্গ ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা দেখি প্রধানমন্ত্রীর ইশারায় সব কিছু চলে। তাহলে তার ইশারায় দুর্নীতি বন্ধ হয় না কেন। ব্যর্থতার দায় যখন নিজেরাই স্বীকার করছেন, তখন এই সরকারের আর ক্ষমতায় থাকার নৈতিকতা থাকে কি না, সেটাই প্রশ্ন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাঁর (মির্জা ফখরুল) ভাষ্যমতে, একজন ছাড়া সবাই দুর্নীতিতে লিপ্ত, আর সেই একজন হলেন তারেক রহমান। বিষয়টি আমার বোধগম্য নয়। তারেক রহমান তো প্রধানমন্ত্রী। তিনি যদি দুর্নীতি না চান, তাহলে সবাই কীভাবে দুর্নীতিতে জড়ায়। আমরা তো দেখি, তার ইশারাতেই সবকিছু চলে। তাহলে তার ইশারায় কি দুর্নীতি বন্ধ হয় না।
বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বাসস্ট্যান্ড, ট্রাকস্ট্যান্ড, সিএনজি স্ট্যান্ডসহ বিভিন্নস্থানে চাঁদাবাজির মাধ্যমে যে অবৈধ উপার্জনের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেটাকেই যেন চাকরি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, শহীদদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক। সেই শ্রমিকরা আজ চাঁদাবাজির শিকার। একজন হুইপ বলেছেন, বিদেশ থেকে কেউ এসে দেশ চালালেও চাঁদাবাজি বন্ধ করা যাবে না। এই বক্তব্যই সত্য হয়, তবে তা চাঁদাবাজির একটি বৈধ কাঠামো দাঁড় করানোর শামিল।

সম্মেলনে পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবির আহমদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপিসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। অনুষ্ঠানে সংগঠনের ৫১ সদস্যের বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ১২ দফা দাবিকে সমর্থন জানান জামায়াত আমির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *