
ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৩৪
জুলাই ৩০, ২০২৬
বাধ্যতামূলক অবসর ঘিরে চাপে প্রশাসন বাড়ছে অনিশ্চয়তা
জুলাই ৩০, ২০২৬প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ১৭ বছরের নিরন্তর সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি তৈরি হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
গতকাল রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, ‘১৭ বছরের নিরন্তর রক্ত ঝরানো সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান গড়ে ওঠে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে যে অভিনব প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের আবহ তৈরি হয়েছিল, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী ও কিশোর-কিশোরীর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল বাক্স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও নির্ভয়ে চলাচলের অধিকার নিশ্চিত হবে। এসব অধিকারের জন্য খালেদা জিয়া এবং পরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন করেছে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতা, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের গণজাগরণ সৃষ্টি হয়।’
প্রধানমন্ত্রীর এ রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাইয়ের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট। সেদিন অবসান ঘটে স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদের। সে কারণে আমরা একটি নতুন ধারণাও পেয়েছি। জুলাইয়ের এ বিপ্লবকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত মিলিয়ে একটি সংগ্রাম ও রক্ত ঝরানো গণ-অভ্যুত্থানের মাস হিসেবে ঘোষণার কথা আমরা শুনেছি এবং জানতে পেরেছি।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান উপলক্ষে গত বছরের মতো এবারো বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বলে জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এ উপলক্ষে আগামী ৪ আগস্ট রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং সভাপতিত্ব করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


