
পাসপোর্ট সূচকে তিন ধাপ এগিয়ে ৯৭তম অবস্থানে বাংলাদেশ
জুলাই ২৩, ২০২৬
শেষ পর্যন্ত গাজী নজরুল তার সংসদ সদস্য পদ হারাতে যাচ্ছেন: শিশির মনির
জুলাই ২৩, ২০২৬ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ না করায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন। গতকাল রুলের বিষয়টি জানান রিটকারী আইনজীবী।
রুলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
রিটের বিষয়ে আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে গ্রাম আদালত পরিচালনার ক্ষমতাও রয়েছে, যেখানে তিনি ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যের মামলা নিষ্পত্তি করতে পারেন। অথচ একই ধরনের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগকারী একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে স্নাতক সম্পন্ন করে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের (বিজেএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান আইনে চেয়ারম্যান পদের জন্য কোনো ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি, যা স্বেচ্ছাচারী ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাব একজন চেয়ারম্যানকে তার ওপর অর্পিত আইনগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে অযোগ্য করে তুলতে পারে। এ কারণেই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ২৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। রিটে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।’


