চার বছরের ‘যুদ্ধবিরতি’ ভেঙে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের
জুলাই ১৪, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ট্যাংকারে হামলা, ভারতীয় নাবিক নিহত
জুলাই ১৪, ২০২৬
চার বছরের ‘যুদ্ধবিরতি’ ভেঙে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুথিদের
জুলাই ১৪, ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ট্যাংকারে হামলা, ভারতীয় নাবিক নিহত
জুলাই ১৪, ২০২৬

টানা তিন বছর এইচএসসিতে বন্যার প্রভাব, ২০২৭ সালের পরীক্ষায়ও একই শঙ্কা

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেই সামনে আসে নতুন এক উদ্বেগ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাবতে হয়—সঠিক সময়ে পরীক্ষা হবে তো, নাকি স্থগিত বা বিঘ্নিত হবে বন্যার কারণে?

কেননা টানা তিন বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে অনুষ্ঠিত এইচএসসিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার প্রভাব পড়েছে পরীক্ষা কার্যক্রমে। কোথাও পরীক্ষা পিছিয়েছে, কোথাও চরম দুর্ভোগের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের যেতে হয়েছে কেন্দ্রে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ৬ জুন, শেষ হবে ১৩ জুলাই। অর্থাৎ বর্ষা মৌসুমের মধ্যেই পরীক্ষায় বসতে হবে শিক্ষার্থীদের। ফলে আগামী বছরও বন্যার কারণে তা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। কিন্তু পরীক্ষা চলাকালে টানা ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচটি জেলা বন্যাকবলিত হয়ে পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পাঁচ জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রাখার ঘোষণা আসে।

চলমান বৈরী আবহাওয়ায় পরীক্ষা হবে কি হবে না—এমন দ্বিধাদ্বন্দ্ব শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। এ বিষয়ে গতকাল রাজধানীর বোরহান উদ্দিন কলেজের সামনে কথা হয় আখতার জাহানের সঙ্গে, যিনি মেয়েকে ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে এসেছিলেন। বণিক বার্তাকে এ অভিভাবক বলেন, ‘রোববার সারা দিন প্রচুর বৃষ্টির কারণে বাসার আশপাশের এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও আজ (সোমবার) কোনো রিকশা বা সিএনজি পাইনি। বাধ্য হয়ে হাঁটুপানি ভেঙেই মেয়েকে নিয়ে এগোতে হয়েছে। কিছুদূর আসার পর একটি রিকশা পেলেও গুনতে হয়েছে প্রায় তিন গুণ ভাড়া। এরপর কেন্দ্রে এসেও দেখি আশপাশ জলমগ্ন। মেয়েকে তাই ভেজা পোশাকেই পরীক্ষা দিতে পাঠিয়েছি। এখন সে অসুস্থ হয়ে যাবে কিনা, সামনের পরীক্ষাগুলো ভালোভাবে দিতে পারবে কিনা—এ নিয়ে আমি চিন্তিত।’

শুধু যাতায়াত নয়, পরীক্ষা হবে কিনা—সে অনিশ্চয়তাও বড় চাপ তৈরি করেছে বলে জানান আখতার জাহান। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে গতকাল (রোববার) সারা দিন মেয়ে আমার সংশয়ে ছিল, পরীক্ষা হবে নাকি স্থগিত হবে। বারবার এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করছিল, কারণ স্থগিত হলে তো পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। আমার মেয়ের মতো আরো অনেক পরীক্ষার্থীই একই সংশয়ে ছিল। এতে তাদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতেও এক ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এছাড়া জলাবদ্ধতার কারণে শুধু যে যাতায়াতে ভোগান্তি এমন নয়, আমাদের দেশের সড়ক ও বিদ্যুতের লাইনগুলোর যে অবস্থা তাতে দুর্ঘটনার শঙ্কাও উড়িয়ে দেয়া যায় না।’

শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য বলছে, কভিড মহামারীর আগে এইচএসসি পরীক্ষা সাধারণত এপ্রিলে শুরু হতো। ব্যবহারিক পরীক্ষাসহ পুরো কার্যক্রম শেষ হয়ে যেত জুনের মধ্যেই। ফলে বর্ষার বিস্তারের আগেই পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হতো।

কভিডের কারণে ২০২০ সালে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২১ সালের পরীক্ষা হয় ডিসেম্বরে, ২০২২ সালে নভেম্বরে এবং ২০২৩ সালের পরীক্ষা নেয়া হয় আগস্টে। করোনার প্রভাবেই মূলত এ তিন বছর এমনটা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ২০২৪ সালে ৩০ জুন এবং ২০২৫ সালে ২৬ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু এ দুই বছরই পরীক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে বন্যার কারণে।

২০২৪ সালে বন্যা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করতে হয় সিলেট বিভাগের পরীক্ষা। পরে ৯ জুলাই থেকে ওই বোর্ডে পরীক্ষা শুরু হয়। আর গত বছর কুমিল্লা অঞ্চলে হওয়া ভয়াবহ বন্যার কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর ১০ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

চলতি বছরেও বন্যা পরিস্থিতির কারণে প্রথম ৮ জুলাই চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবন জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ১৬ জুলাই পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় চট্টগ্রাম ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো। বর্তমানে চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমলেও এখনো জেলাগুলোর বড় অংশের মানুষ পানিবন্দি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সারা দেশের এইচএসসি পরীক্ষা ৭ জুন থেকে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে বিলম্বিত এসএসসি পরীক্ষা এবং পরীক্ষা-পরবর্তী সময়ে কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে বিলম্ব হয়। এ কারণ দেখিয়ে সারা দেশে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আপত্তি আসে। মন্ত্রণালয় থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সব শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানসহ অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত ২২ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ জনের মতামত নেয়া হলে তারা সবাই পরীক্ষা পেছানোর দাবি তুলেছিল। এ কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে জুলাইয়ে নেয়া হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কভিড-১৯-পরবর্তী সময়ে বোর্ড পরীক্ষার সময়সূচিতে ওলটপালট হওয়ার পর ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ভর্তিসংক্রান্ত বিলম্বের কারণে কয়েক বছর ধরে বোর্ড পরীক্ষায় সময়সূচিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। আগামী বছরগুলোতে এ ধরনের সমস্যা আর থাকবে না।’

চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলার পাশাপাশি ১১ জুলাই থেকে দেশের অন্যান্য এলাকায়ও ভারি বর্ষণ শুরু হয়। ঢাকাসহ কুমিল্লা ও বিভিন্ন জেলায় দেখা দেয় জলাবদ্ধতা। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এসব এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। রাজধানী ঢাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে গতকাল হাঁটুপানি অতিক্রম করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে দেখা যায়। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

কুমিল্লায় পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হয় নৌকায় চড়ে

এ পরিস্থিতিতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষা স্থগিত না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের পাঁচ জেলা ছাড়া অন্য সব এলাকার জেলা প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা প্রতিবেদন দিয়েছেন। সে প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির মুখোমুখি হয়েছে সেসব জেলায় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়, শিক্ষার্থীর পরীক্ষার প্রস্তুতি উপলব্ধি করে এবং পরীক্ষা বারবার স্থগিত করা হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন, ফল প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রম এবং সামগ্রিক শিক্ষা ক্যালেন্ডার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবস্থায় একটি বোর্ডের কারণে সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত রাখাও বাস্তবসম্মত নয়। তবে কোনো অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বা পরীক্ষা গ্রহণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

এদিকে দেশের বিভিন্ন বিভাগ এবং ভারতের মেঘালয়, আসাম, সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের প্রভাবে দেশের অধিকাংশ নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী দুইদিনে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। পাশাপাশি তিস্তা, দুধকুমার, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম শোভনের সই করা গতকালের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এ নিয়ে প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। আমাদের কাছে শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং নিরাপদে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে সে বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

শিক্ষাবিদদের মতে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় এসএসসি ও এইচএসসির সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি এখন আরো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণ এবং এইচএসসির সময়ও এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হলে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের পক্ষ থেকে বিরোধিতা করা হয়। ওই সময় তাদের বক্তব্য ছিল, আগামী বছরেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাবে না, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরবর্তী সময়ে এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ করার এবং এইচএসসি ৬ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুলাই শেষ করার সিদ্ধান্ত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এসএম হাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, পরীক্ষা হওয়া না হওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব কিংবা শেষ সময়ে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার মতো বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের ওপর একটি বিরূপ প্রভাব ফেলে, কিন্তু এটিও ভাবতে হবে যে এক্ষেত্রে আসলে করণীয় কী? আমরা যদি আমাদের আবহাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করি তাহলে দেখা যায় গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থাকছে, এমনকি অনেক সময় আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হচ্ছে। আবার জুন-জুলাইয়ে অতিবর্ষণ, বন্যার ঘটনা ঘটছে। এছাড়া পরীক্ষার রুটিন করতে গিয়ে রোজার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। কারণ রোজা রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা যদি নবম-দশম শ্রেণী দুই বছরে শেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যেই পরীক্ষা নিয়ে ফেলতে পারি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ক্ষেত্রেও একইভাবে দুই বছরের মধ্যে পরীক্ষা নিতে পারি তাহলে এ সমস্যা অনেকাংশে কমবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক সবাইকে আন্তরিক হতে হবে। সবাই আন্তরিক হলে এ সময়টা পরিবর্তন সম্ভব। এছাড়া আরেকটি বিষয় হলো, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের আবহাওয়ায়ও পরিবর্তন আসছে। পরিবর্তিত এ আবহাওয়ায় মানিয়ে নেয়ার মানসিকতাও আমাদের থাকতে হবে।’

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে একযোগে চলছে এ পরীক্ষা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *