
দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘সাদা পতাকা’, কারা টাঙাচ্ছে জানে না পুলিশ
জুন ২৭, ২০২৬
বিরোধী দলের এমপিদের বক্তব্য নিয়ে সংসদে হট্টগোল
জুন ২৭, ২০২৬গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারকে ভাতা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘বারবার বলেছি, যদি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দেয়া হয়, জুলাই যোদ্ধাদের ভাতা দেয়া হয়, তাহলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারগুলোকে কেন ভাতা দেয়া হবে না? অবশ্যই ভাতা দিতে হবে এবং সেটা আমরা এ বাজেটেই প্রভিশন রাখার ব্যবস্থা করব।’
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘প্রতিকার ও পুনর্বাসনের অধিকার’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথাগুলো বলেন। জাতিসংঘ ঘোষিত ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়। সংলাপের যৌথ আয়োজক হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (এইচআরডিসি) ও মায়ের ডাক।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর ক্ষতি কখনো পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগুলো পূরণ করা যাবে না। পাশে তো দাঁড়াতে পারি, সাহস দিতে পারি। ভবিষ্যৎ নির্মাণের ব্যবস্থা রাষ্ট্র করতে পারে।’
এ ধরনের ঘটনায় সম্মিলিতভাবে প্রতিকারের আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।
গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে অভিহিত করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘এটা মানবতাবিরোধী অপরাধ। প্রকাশ্যে এদের বিচার হওয়া উচিত, শাস্তি হওয়া উচিত।’
গুম ও নির্যাতনের ঘটনাকে রাজনৈতিক বিষয় হিসেবে না দেখার আহ্বান জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গুম হওয়া, অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হওয়া—এগুলো নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। এ ব্যাপারে আমরা সবাই এক। আমরা বিচার চাই। তাদের (ভুক্তভোগী) পাশে দাঁড়াতে চাই। তাদের স্বীকৃতি চাই। আইনের যে শক্তি, সেই শক্তি তাদের হাতে তুলে দিতে চাই।’
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। বিভিন্ন অধিবেশনে আইনপ্রণেতা, আইনজীবী, মানবাধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং গুম–নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।


