
সালাহর নৈপুণ্যে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয় মিসরের
জুন ২২, ২০২৬
সারওয়ার আলমকে পুনর্বহালের দাবি গণঅধিকার পরিষদের নেতার
জুন ২২, ২০২৬ম্যাচ শেষে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-পূর্ব ইরানের পতাকাসংবলিত একটি টি-শার্ট পরা এক দর্শক মাঠে ঢোকার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এছাড়া ম্যাচের পর এক সমর্থক ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে; পরে ওই সমর্থককে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে দেখা যায়
বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের দিকে আরেক ধাপ এগিয়েছে ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্র সময় গতকাল বেলজিয়ামের বিপক্ষে ড্র করার পরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মাঠের বাইরের বিতর্ক। খবর এপি।
ম্যাচ শেষে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-পূর্ব ইরানের পতাকাসংবলিত একটি টি-শার্ট পরা এক দর্শক মাঠে ঢোকার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এছাড়া ম্যাচের পর এক সমর্থক ও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে; পরে ওই সমর্থককে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে দেখা যায়।
এর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিষয়ক কর্মকর্তা মার্কওয়েইন মুলিন দাবি করেন, ইরানের পক্ষ থেকে এমন একজনকে যুক্তরাষ্ট্রে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল যার সঙ্গে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর সরাসরি সম্পর্ক ছিল। তবে ইরান ফুটবল ফেডারেশন এ অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করে।
মুলিনের দাবি, সাধারণত বিশ্বকাপ দলগুলো প্রায় ১২০ জনের প্রতিনিধি দল নিয়ে ভ্রমণ করলেও ইরানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ৫৩ জনকে অনুমোদন দিয়েছে। তার ভাষ্য, ভিসার জন্য আবেদন করা বাকি ব্যক্তিদের অনেকেরই আইআরজিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। জবাবে ইরান ফুটবল ফেডারেশন অভিযোগ করে, কোনো প্রমাণ ছাড়াই এমন দাবি তুলে বৈষম্যমূলক আচরণ ও অযৌক্তিক বিধিনিষেধ আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই ইরান অভিযোগ করে আসছে যে রাজনৈতিক বিষয়গুলো ফুটবলে প্রভাব ফেলছে। খেলোয়াড় ও কোচরা মেক্সিকো থেকে যাতায়াত এবং কিছু কর্মকর্তা ও কর্মীর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ফেডারেশন জানিয়েছে, তারা ফিফার কাছেও অভিযোগ করবে।
ম্যাচের পর ইরানের খেলোয়াড় আলিরেজা জাহানবাখশ বলেন, দল এখন এসব বিতর্ক নয়, বরং পরবর্তী ম্যাচের প্রস্তুতিতেই মনোযোগ দিতে চায়। মিসরের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য দ্রুত সিয়াটলে পৌঁছে পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
স্টেডিয়ামের বাইরে কয়েকশ মানুষ ইরান সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তবে প্রথম ম্যাচের তুলনায় এবার বিক্ষোভ ছিল ছোট পরিসরে এবং নিরাপত্তাও ছিল বেশি। অনেক সমর্থক বিপ্লব-পূর্ব ইরানের সিংহ ও সূর্যচিহ্নযুক্ত লাল-সবুজ পতাকা বহন করেন, যা অনেক ক্ষেত্রে সরকারি পতাকার চেয়েও বেশি চোখে পড়ে।
লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দা আরমান শরিফ, যিনি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন, বলেন, ‘যে দলই ইরানের প্রতিপক্ষ হোক, আমরা তাদেরই সমর্থন করি।’


