ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স
জুন ২১, ২০২৬
টিকা কার্যক্রমের দুই মাস পেরোলেও কমেনি হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু
জুন ২১, ২০২৬
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডে জেডি ভ্যান্স
জুন ২১, ২০২৬
টিকা কার্যক্রমের দুই মাস পেরোলেও কমেনি হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু
জুন ২১, ২০২৬

বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী, দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা

দুই বছরের তদন্ত শেষে বেগোনো গোমেজের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেয়া, ব্যবসায়িক লেনদেনে দুর্নীতি এবং তহবিলের অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিচারক

দুর্নীতির অভিযোগে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। এ রায় দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে বেগোনার দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

দুই বছরের তদন্ত শেষে বেগোনো গোমেজের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা নেয়া, ব্যবসায়িক লেনদেনে দুর্নীতি এবং তহবিলের অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিচারক।

৫৫ বছর বয়সী বেগোনা অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ‘মানোস লিম্পিয়াস’ নামের ডানপন্থী ট্রেড ইউনিয়নের অভিযোগের ভিত্তিতে এ মামলা শুরু হয়েছিল।

মামলার বিচারক হুয়ান কার্লোস পেইনাদো নির্দেশ দিয়েছেন, বেগোনা গোমেজকে তার পাসপোর্ট জমা দিতে হবে। তিনি স্পেন ছাড়তে পারবেন না এবং প্রতি মাসে দুইবার আদালতে হাজিরা দিতে হবে। তবে কবে নাগাদ বেগোনা বিচারের মুখোমুখি হবেন তা উল্লেখ করা হয়নি।

ইউরোপের অন্যতম স্পষ্টভাষী বামপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিতি পেদ্রো সানচেজ বারবারই মামলাটিকে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ করেছেন, রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমের প্রতিপক্ষরা তার পরিবারকে টার্গেট করছে এবং কিছু বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

ক্ষমতাসীন স্প্যানিশ সোশ্যালিস্ট ওয়ার্কার্স পার্টি দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছে, বেগোনা গোমেজকে দুই বছর ধরে ‘বিচারিক ও রাজনৈতিক নিপীড়নের’ শিকার হতে হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।

মামলাটি এখন এমন একাধিক দুর্নীতি তদন্তের অংশ, যা পেদ্রো সানচেজের সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে। মূলত তৎকালীন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পিপলস পার্টির (পিপি) দুর্নীতি দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসেন পেদ্রো সানচেজ। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পরিবারের সদস্যদের ঘিরেও চলছে একাধিক তদন্ত, যা সরকারকে অস্থিতিশীল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করছে।

স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা না থাকলেও তার ভাই ডেভিড সানচেজের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে সাবেক পরিবহনমন্ত্রী হোসে লুইস আবালোসের বিরুদ্ধেও সরকারি চুক্তি থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে সবাই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

দেশটিতে রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে সংবেদনশীল মামলাগুলোর একটি চলছে সাবেক সমাজতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী হোসে লুইস রদ্রিগেজ জাপাতেরোর বিরুদ্ধে। তাকে স্প্যানিশ বাম রাজনীতির প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে ধরা হয়। গত মাসে রদ্রিগেজের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। তিনি শুনানিতে নিজের নির্দোষ দাবি করেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *