
মার্কিন অবরোধে ইরানের জ্বালানি তেল রফতানিতে বড় ধস
জুন ৫, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিনিয়োগ আকৃষ্টে রোড শো করবে সরকার
জুন ৫, ২০২৬হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন। আলোচনায় হিজবুল্লাহ অংশ নেয়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েল, লেবানন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ গতকাল নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না। এতে তেহরানের সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টা বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়েছে। খবর রয়টার্স।
ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছে ইরান। সাম্প্রতিক দিনগুলোয় তেহরান ইঙ্গিত দিয়েছে, ইসরায়েল যদি সেখানে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে তারা সরাসরি হস্তক্ষেপও করতে পারে।
তবে হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেন। আলোচনায় হিজবুল্লাহ অংশ নেয়নি। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েল, লেবানন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ওই এলাকা থেকে সরে যাবে না এবং লেবাননে তাদের সামরিক অভিযানও বন্ধ হবে না। মার্চে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি হিজবুল্লাহর প্রতিক্রিয়ার পর ইসরায়েল লেবাননে অভিযান শুরু করেছিল।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের কমান্ডার বলেন, অন্ততপক্ষে যুদ্ধ শুরুর আগে যে অবস্থানে ইসরায়েলি বাহিনী ছিল, সেখানে তাদের ফিরে যেতে হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও গত এক সপ্তাহে লেবাননের পাশাপাশি গাজা, উত্তর ইসরায়েল ও কুয়েতের বাসিন্দারাও এ সপ্তাহে হামলার মুখে পড়েছেন। ট্রাম্প গত বুধবার বলেন, এসব চুক্তির অর্থ পুরোপুরি যুদ্ধ বন্ধ নয়; বরং ‘আরো সীমিত মাত্রায় গোলাগুলি’ চলবে।
গত বুধবার উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান ও মার্কিন বাহিনী একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে বড় ধরনের সংঘাত বন্ধ হওয়ার পর এটিই ছিল সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষগুলোর একটি।


