
ভালো আচরণে পুলিশি সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ আইজিপির
জুন ৫, ২০২৬
পর্তুগালকে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেয়ার শেষ সুযোগ রোনালদোর
জুন ৫, ২০২৬চলতি বছরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে মিড-ডে মিল (স্কুল ফিডিং) কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়ামুখী করে গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত ও অংশগ্রহণকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গতকাল রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে “লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস” ধারণাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘সারা দেশের শিশুদের জন্য স্কুল ড্রেস দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা যাতে পুষ্টিহীনতায় না ভোগে এবং মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করতে পারে, সে জন্য মিড-ডে মিল চালু করা হয়েছে। এ বছরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ। তারা যেন খেলাধুলায় দক্ষ হয়ে উঠতে পারে, সেজন্য এ ধরনের টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’
এর আগে গত ৮ এপ্রিল জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছিলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টিচাহিদা পূরণে পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তোমাদের বিকাশ ও সম্ভাবনার বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।’
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেন, ‘আমরা ক্রীড়াখাতকে এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, ভবিষ্যতে পেশা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজানো হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।’
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৬ এপ্রিল ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়। এ প্রতিযোগিতায় দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় অতিক্রম করে বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের চ্যাম্পিয়ন আটটি বালক ও আটটি বালিকা দল অংশ নিচ্ছে।


