ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম হলে নগদ লভ্যাংশ নয়
মে ২৪, ২০২৬
ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার কম হলে নগদ লভ্যাংশ নয়
মে ২৪, ২০২৬

২০২৫-২৬ মৌসুম আইভরি কোস্টে কোকো উৎপাদন বাড়তে পারে ১০.৫%

আইভরি কোস্টে গত কয়েক মৌসুমে কোকো উৎপাদন কমে গিয়েছিল।

বৈরী আবহাওয়া, পুরনো বাগান ও সোলেন শুট রোগের দ্রুত বিস্তারও এর জন্য দায়ী ছিল। তবে টানা তিন মৌসুম পর এবার দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদন বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছেন কফি অ্যান্ড কোকো কাউন্সিলের (সিসিসি) প্রধান ইভ ব্রাহিমা কোনে। খবর রয়টার্স।

তিনি জানিয়েছেন, অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে দেশটিতে কোকো উৎপাদন গত মৌসুমের তুলনায় ১০ দশমিক ৫ শতাংশ বাড়তে পারে।

সিসিসির দেয়া তথ্যমতে, এ সময় দেশটিতে কোকো উৎপাদন পৌঁছতে পারে ২০-২১ লাখ টনে।

এর আগে গত মার্চে রয়টার্সের এক জরিপে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল, চলতি মৌসুমে আইভরি কোস্টের কোকো উৎপাদন ১৮ লাখ টনের মধ্যে থাকতে পারে।

সিসিসির ডিরেক্টর ইভ ব্রাহিমা কোনে এক সাক্ষাৎকারে জানান, বিগত দুই মৌসুমে কোকোর দাম চড়া থাকায় কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। ফলে তারা এবার বাগানে পর্যাপ্ত সার ব্যবহার করতে পেরেছেন এবং খামারের পরিচর্যা বাড়িয়েছেন, যা সার্বিক উৎপাদন বাড়ায় বড় ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ‘১১ মে পর্যন্ত আইভরি কোস্টের দুটি বন্দরে ১৭ লাখ টনের বেশি কোকো এসে পৌঁছেছে। গত দুই মৌসুমের তুলনায় এটি ইতিবাচক প্রবণতা হিসেবে ধরা যেতে পারে।’

ইউরোপভিত্তিক একজন কোকো ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, উৎপাদন বাড়লেও আইভরি কোস্টে এখনো বিপুল পরিমাণ কোকো অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে।

তিনি বলেন, ‘মাঠে এখনো প্রচুর কোকো রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরো বাড়ার আশায় রফতানিকারকরা এখনই সেগুলো বিক্রি করতে চাচ্ছেন না।

পাশাপাশি কৃষকরাও কম ফার্মগেট প্রাইসে পণ্য ছাড়তে নারাজ।’

বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, সম্প্রতি আইভরি কোস্ট থেকে কোকো বিক্রি শুরু হওয়ায় আগামী সপ্তাহগুলোয় ইউরোপের মজুদাগারগুলোয় এ উদ্বৃত্ত কোকোর সঠিক পরিমাণ জানা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *