রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী
মে ২৩, ২০২৬
রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী
মে ২৩, ২০২৬

কোরবানির পশু কেমন হওয়া উচিৎ

বিশেষজ্ঞরা জানান, সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও উট কোরবানি দেয়া যায়। তবে পশুটি সুস্থ হতে হবে। অন্ধ, পঙ্গু, অতিরিক্ত দুর্বল বা গুরুতর অসুস্থ পশু কোরবানি বৈধ হবে না বলে ইসলামি বিধানে উল্লেখ রয়েছে।

কোরবানির জন্য সুস্থ ও তাজা পশু বেছে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ইসলাম ধর্মবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, শারীরিকভাবে সুস্থ ও নির্দিষ্ট বয়স পূর্ণ করেছে এমন পশুই কোরবানির জন্য উপযুক্ত। একই সঙ্গে অসুস্থ, দুর্বল বা ত্রুটিযুক্ত পশু কোরবানি না দেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

ইসলামি চিন্তাবিদরা জানান, ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। আরবি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখ এ উৎসব পালিত হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানরা এ সময় পশু কোরবানি করেন। বাংলাদেশে এটি ‘কোরবানির ঈদ’ নামেই বেশি পরিচিত।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ও হালাল সনদ বিভাগের উপপরিচালক মুহাম্মদ আবু ছালেহ পাটোয়ারি বলেন, হাদিস অনুযায়ী সুস্থ ও তাজা পশু কোরবানি দেয়ার বিধান রয়েছে। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেও এ ধরনের পশু কোরবানি করেছেন বলে হাদিসে উল্লেখ আছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, সাধারণত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও উট কোরবানি দেয়া যায়। তবে পশুটি সুস্থ হতে হবে। অন্ধ, পঙ্গু, অতিরিক্ত দুর্বল বা গুরুতর অসুস্থ পশু কোরবানি বৈধ হবে না বলে ইসলামি বিধানে উল্লেখ রয়েছে।

ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, নবী আদম (আ.) ও নবী ইব্রাহিমের (আ.) সময় থেকেই কোরবানির প্রচলন ছিল। পরে ইসলাম প্রচারের পর এ বিধান আরো সুসংগঠিত হয়। বিভিন্ন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসলামি পণ্ডিতরা বলেন, হিজরতের পর মদিনায় অবস্থানকালে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রতি বছর কোরবানি করেছেন।

তবে ইসলাম ধর্মে কোরবানি ফরজ বা বাধ্যতামূলক নয়। এটি ওয়াজিব ইবাদত। ইসলামি বিধান অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মুসলমানের কাছে সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ, সাড়ে ৫২ ভরি রুপা অথবা সমমূল্যের সম্পদ থাকলে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *