
টিকাদান কর্মসূচি থেকে বিশ্বের মুখ ফিরিয়ে নেয়া চলবে না
মে ২০, ২০২৬
এনসিপি ক্ষমতায় এলে ভারত অত্যাচার করতে পারবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
মে ২০, ২০২৬বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে কর্মরত জুডিশিয়াল সার্ভিসের ১৫ জন কর্মকর্তা ও বিচারককে আইন ও বিচার বিভাগে ফেরত নেয়া হয়েছে।
গতকাল আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এ-সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে তাদের মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার কথা বলা হয়।
মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেয়াদের মধ্যে রয়েছেন ৯ জন জেলা ও দায়রা জজ, দুজন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, তিনজন যুগ্ম জেলা জজ এবং একজন জ্যেষ্ঠ সহকারী জেলা জজ। বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিবসহ কর্মকর্তাদের অন্য স্থানে দায়িত্ব দেয়ার জন্য আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অধ্যাদেশের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় গঠিত হয়। বিএনপি সরকার গঠনের পর জাতীয় সংসদে এ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের বিল পাস করলে তা বিলুপ্ত হয়ে যায়। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয়ের।
এমন প্রেক্ষাপটে প্রজ্ঞাপনে বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) শেখ আশফাকুর রহমানকে আইন ও বিচার বিভাগের সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) শারমিন নিগার এবং অন্য অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ হালিম উল্ল্যাহ চৌধুরীকেও সংযুক্ত কর্মকর্তা (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া বিলুপ্ত সচিবালয়ের সাবেক সহকারী সচিব রুহুল আমীনকে সংযুক্ত কর্মকর্তা (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে মন্ত্রণালয়ে যুক্ত করা হয়েছে।
মাসদার হোসেন মামলার ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি হয়েছিল। ১১ ডিসেম্বর সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ পৃথক সচিবালয়ের উদ্বোধন করেন। অধ্যাদেশ অনুযায়ী নিম্ন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাজনিত সব বিষয় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অধীনে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।


