
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
মে ১৭, ২০২৬
কঙ্গো ও উগান্ডার ইবোলা প্রাদুর্ভাবকে ‘আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা
মে ১৭, ২০২৬তাইজুল ও নাহিদ তিনটি করে এবং তাসকিন ও মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন।
সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৭৮ রানের জবাবে ২৩২ রানে অলআউট হয়ে গেছে পাকিস্তান।
আজ রোববার দ্বিতীয় দিন সকালে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান প্রথম সেশন শেষ করে ৪ উইকেটে ৯৪ রান তুলে। ২৪ ওভারে তাদের শীর্ষ ৪ ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশের বোলাররা। এরপর ২৫ ওভারের দ্বিতীয় সেশনে আরো ৪ উইকেট তুলে নেন স্বাগতিক বোলাররা। এ সময় অতিথি দলটি তুলতে পেরেছে ১১০ রান। সব মিলে, ৮ উইকেটে ২০৬ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় সফরকারী দল। তাদের প্রথম ইনিংস থেকে তখনো ৭২ রানে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
সকালে শুরুতেই বাংলাদেশ দলকে উৎসবের উপলক্ষ্য এনে দেন জ্যেষ্ঠ পেসার তাসকিন আহমেদ। তিনি পাকিস্তানের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন পরপর দুই ওভারে। এরপর সহ-অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের জোড়া আঘাত। তার ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন শান মাসুদ ও সৌদ শাকিল।
৭৯ রানে ৪ উইকেট পতনের পর সেখান থেকে ৬৩ রানের জুটি দলকে টানেন অভিজ্ঞ বাবর আজম ও সালমান আগা। পূর্ণ ফিট না হওয়ায় ঢাকায় খেলা হয়নি বাবরের। সিলেট টেস্টে সুযোগ পেয়েই নামের প্রতি সুবিচার করলেন তিনি। ৮৪ বলে ৬৮ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে ভরাডুবি থেকে বাঁচান। দলীয় ১৪২ রানে নাহিদ রানার কাছে হার মানেন তিনি। ঢাকায় ৫ উইকেট নেয়া নাহিদ রানার লেংথ বলটি লেগে খেলতে গিয়ে তিনি ক্যাচ তুলে দেন মুশফিকুর রহিমের হাতে।
উইকেট শিকারে শামিল হন তাইজুল ইসলামও। তার ঘূর্ণিতে হার মানেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১৭৫ রানে স্বীকৃত ৭ ব্যাটারের বিদায় ঘটে। চা-বিরতির একটু আগে হাসান আলীকে লেগ বিফোর করেন তাইজুল।
তৃতীয় সেশন শুরুর পর প্রথম ওভারেই খুররম মনজুরকে ফেরান নাহিদ রানা (২০৭/৯)। সাজিদ খান ২৮ বলে চার ছক্কা ও দুই বাউন্ডারিতে ৩৮ রান করে আতঙ্ক ছড়ালেও বাংলাদেশ ঠিকই লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে। নাহিদ রানার বলে মুমিনুলকে ক্যাচ দেন সাজিদ।
তাইজুল ও নাহিদ তিনটি করে এবং তাসকিন ও মিরাজ দুটি করে উইকেট নেন।


