
কয়লা উত্তোলন বিতর্কে সময় অপচয় বড়পুকুরিয়া ছাড়া বাকি চার খনির কয়লা উত্তোলনে রাষ্ট্রীয় কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি
মে ১২, ২০২৬
বৈদেশিক মুদ্রায় স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্য ঋণের ব্যয়সীমা কমেছে
মে ১২, ২০২৬ভারতের পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের সীমান্তের যে অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেখানে বেড়া দেয়ার জন্য বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যটির নতুন মন্ত্রিসভা।
শপথ নেয়ার পরে গতকাল রাজ্যটির নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক বসে। সেখানে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘এটা করা না গেলে পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা পরিবর্তন ও সুরক্ষা প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ খবর বিবিসি।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এ সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, ‘দেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না। কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশের মতো দেশকে এখন ডর দেখানোর মতো কোনো জায়গা নেই।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘দেখেন, যদি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চান, বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না। বাংলাদেশের সরকারও কাঁটাতার ভয় পায় না। যেখানে আমাদের কথা বলা দরকার, আমরা কথা বলব।’
তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্তে ভারতেরও দেখাতে হবে মানবিক অ্যাপ্রোচ, ডিলিং উইথ সিকিউরিটি। যদি গুলি মেরে মানুষ হত্যা করা হয় বা তারে ঝুলিয়ে ফেলে রাখেন, যেগুলো আমরা দেখেছি হাসিনার সময়, ওই নমুনা বর্ডারে আর কোনোদিন আসবে না। আর ওই নমুনায় যদি কেউ বর্ডার করতেও চায়, তাহলে এ বাংলাদেশ সেই বাংলাদেশ না যে বসে দেখবে। বাংলাদেশের পরিকল্পনা আছে, কী করতে হবে। আশা করি ওই পথে যাবে না।’
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৬৫৩ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার দেয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গে ৫৬৩ কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতার দেয়া বাকি রয়েছে। ওই ভাষণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস সরকার অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দেয়ার কাজ করছে।
নির্বাচনী প্রচারকালে অমিত শাহর দপ্তর থেকে এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষিত করতে ৬০০ একর জমি প্রয়োজন, তা”বিএসএফকে দিচ্ছেন না মমতা ব্যানার্জী। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই সেই জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেয়া হবে।
বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই তুলছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও একই অভিযোগ তোলেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এ অভিযোগের ক্ষেত্রে বলে আসছিল, সীমান্ত তাদের বিষয় নয়, কেন্দ্র সরকারের বিষয়।”


