মানবতাবিরোধী অপরাধ: নানক ও তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন
মে ১০, ২০২৬
মানদণ্ড পূরণ না করলে কোনো প্রকল্প নেয়া হবে না: আমির খসরু
মে ১০, ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধ: নানক ও তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন
মে ১০, ২০২৬
মানদণ্ড পূরণ না করলে কোনো প্রকল্প নেয়া হবে না: আমির খসরু
মে ১০, ২০২৬

করপোরেট কর ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব জেবিসিসিআইয়ের

জেবিসিসিআই জানায়, আসন্ন বাজেট সামনে রেখে সরকারকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর সংস্কার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে করপোরেট করহার কমানো ও মূল্য সংযোজন কর কাঠামো সহজ করার বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে করপোরেট করহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই)। একই সঙ্গে মূল্য সংযোজন কর অর্ধেকে নামিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। সংস্থাটির মতে, কর কাঠামো সহজ ও বিনিয়োগবান্ধব করা গেলে দেশের শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।

আজ রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর অ্যাসকট দি রেসিডেন্স ঢাকা হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রস্তাব তুলে ধরে জেবিসিসিআই।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চেম্বারের সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চেম্বারের সাধারণ সম্পাদক মারিয়া হাওলাদার, সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান, সুগাওয়ারা মানাবু, আসিফ এ চৌধুরীসহ অন্য নেতারা।

জেবিসিসিআই জানায়, আসন্ন বাজেট সামনে রেখে সরকারকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর সংস্কার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে করপোরেট করহার কমানো ও মূল্য সংযোজন কর কাঠামো সহজ করার বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

সংগঠনটির মতে, বিশ্বের অনেক দেশ বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে কম করহার অনুসরণ করছে। কিন্তু বাংলাদেশে তুলনামূলক বেশি করহার শিল্প সম্প্রসারণ ও মূলধন প্রবাহে বাধা তৈরি করছে। এ কারণে করপোরেট করহার ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে বর্তমান ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে জেবিসিসিআই। সংগঠনটি বলছে, বর্তমান বহুস্তরবিশিষ্ট কর কাঠামো ব্যবসায় জটিলতা তৈরি করছে। এতে ব্যবসার ব্যয় ও প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ছে। তাই একক ও সহজ কর কাঠামো চালুর প্রয়োজন রয়েছে।

প্রস্তাবে আরো বলা হয়েছে, কর ব্যবস্থা আরও বিনিয়োগবান্ধব ও স্বচ্ছ করতে উৎসে কর কাঠামো যৌক্তিক করা দরকার। পাশাপাশি লোকসানি প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যূনতম কর প্রত্যাহার এবং দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয় কর ফেরত ব্যবস্থারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে কাঁচামাল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যসেবা ও মোটরযান খাতে শুল্ক ও কর কমানোর সুপারিশও করেছে সংগঠনটি।

জেবিসিসিআই মনে করে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে কর কাঠামোর সংস্কার এখন জরুরি। এতে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি সহজ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *