ব্যাংক আলফালাহ্‌র সম্পদ ও দায় অধিগ্রহণ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে ব্যাংক এশিয়ার ইজিএম আজ
এপ্রিল ১২, ২০২৬
মার্চে মজুদ কমলেও পাম অয়েলের বাজারে বড় দরপতন
এপ্রিল ১২, ২০২৬
ব্যাংক আলফালাহ্‌র সম্পদ ও দায় অধিগ্রহণ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে ব্যাংক এশিয়ার ইজিএম আজ
এপ্রিল ১২, ২০২৬
মার্চে মজুদ কমলেও পাম অয়েলের বাজারে বড় দরপতন
এপ্রিল ১২, ২০২৬

চট্টগ্রাম ও হিলি পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৮-১৫ টাকা

রবি মৌসুমের শেষ দিকে দেশের বাজারে আবারো বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৮-১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও দিনাজপুরের হিলি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং ভালো মানের পেঁয়াজ বাজারে আসা দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

গতকাল খাতুনগঞ্জ ও হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহখানেক আগেও যে পেঁয়াজ ১৫-২৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে তা মানভেদে ৩৫-৪০ টাকা। খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, কালবৈশাখী ও আগাম বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। গত সপ্তাহে পাইকারিতে সর্বোচ্চ ২৬ টাকা দরে বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ বর্তমানে ৩৩-৩৪ টাকা। তবে কিছু সংরক্ষণ অযোগ্য নিম্নমানের পেঁয়াজ এখনো ১৮-২০ টাকায় লেনদেন হতে দেখা গেছে।

খাতুনগঞ্জের মেসার্স শাহজালাল বাণিজ্যালয়ের স্বত্বাধিকারী মো. জসিম উদ্দিন জানান, উৎপাদন মৌসুমে অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে কৃষকরা লোকসানে পেঁয়াজ বিক্রি করেছিলেন। এখন মৌসুম শেষ হয়ে আসায় ভালো মানের মজুদ করা পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, পাবনা, ফরিদপুর ও রাজশাহী থেকে পেঁয়াজ আনার ক্ষেত্রে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াও মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় দেশীয় পেঁয়াজের ওপর চাপ বেড়েছে।

অন্যদিকে হিলি বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে যে পেঁয়াজ ২৫ টাকায় পাওয়া যেত, বর্তমানে তা ৩৫-৪০ টাকা। হঠাৎ এ মূল্যবৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা।

হিলি বাজারের বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, পুরনো ইন্দোর জাতের পেঁয়াজের মৌসুম শেষ। আগে যে পেঁয়াজ মণপ্রতি ছিল ৮০০-৯০০ টাকা, তা এখন ১১০০-১২০০ টাকা। নাটোর ও পাবনা থেকে নতুন হালি জাতের ভালো মানের পেঁয়াজ আসছে, যার ক্রয়মূল্য মোকামেই মণপ্রতি ৩০০-৪০০ টাকা করে বাড়তি।

পেঁয়াজের পাশাপাশি বাজারে আদা ও রসুনের দামও ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলে জানা গেছে। খাতুনগঞ্জে চায়না রসুনের দাম কেজিতে ১২-১৫ টাকা বেড়ে ১২৮-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে দেশীয় রসুনের দাম কেজিপ্রতি ৫-৭ টাকা বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৫-৭০ টাকা দরে। আদার দামও ১০ টাকা বেড়ে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধে নিয়মিত তদারকি চলছে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *