
সন্ধ্যার পর বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
এপ্রিল ৫, ২০২৬
বগুড়ার উপনির্বাচনে দায়িত্বে অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ
এপ্রিল ৫, ২০২৬সরেজমিনে দেখা যায়, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পট কেটে শিশুর মাথা ঢেকে দিয়ে ওপরের অংশে ছিদ্র করে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। পটের সামনের অংশ গামছা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়
দিন দিন হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে। আর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে হেডমাস্কের সংকট। এ সংকটে হামে আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে প্লাস্টিকের পট কেটে তৈরি করা হেডমাস্ক দিয়ে। হাসপাতালের দোতলায় শিশু ওয়ার্ডের হাম আইসোলেশন ইউনিটে এমন চিত্র দেখা গেছে।
প্লাস্টিকের পট দিয়ে তৈরি এ বিকল্প পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ করায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকেরা।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এ সংকট দীর্ঘদিনের। শয্যা সংকটের কারণে এক বিছানায় তিন-চারজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেয়া এখানে নিয়মিত ঘটনা। এর মধ্যেই অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন মাস্কের সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পট কেটে শিশুর মাথা ঢেকে দিয়ে ওপরের অংশে ছিদ্র করে অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে। পটের সামনের অংশ গামছা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।
অভিভাবকদের দাবি, এ পদ্ধতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্লাস্টিকের পটের ধারালো অংশ বা চাপের কারণে শিশুর গলায় আঘাত লেগে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি থাকলেও সামান্য দামের মাস্ক না থাকাটা দুঃখজনক।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. মশিউল মুনীর জানান, স্থানীয় উপায়ে এভাবে অক্সিজেন দেয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি স্বীকার করেন, এ পদ্ধতি নিরাপদ নয় এবং এতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় হেডমাস্কের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


