
মানিকগঞ্জে পদ্মায় পড়ে যাওয়া জ্বালানি তেলবাহী লরি উদ্ধার
মার্চ ১৩, ২০২৬
সংসদে প্রধানমন্ত্রী দেশে আবারো সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা হয়েছে
মার্চ ১৩, ২০২৬যশোরের ভবদহ অঞ্চলে নদী খনন প্রকল্পে ধীরগতির কারণে বর্ষা মৌসুমে ফের জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
তারা বলছেন, জমি অধিগ্রহণ ও খাল সংস্কারকাজ শেষ করা না হলে বর্ষায় এ জনপদ আবারো জলাবদ্ধতার শিকার হবে। গতকাল দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতারা। এ সময় দ্রুত আমডাঙ্গা খাল সংস্কার, টিআরএম চালুসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
নীল রতন ধর রোডের সংগঠনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব চৈতন্য কুমার পাল। জলাবদ্ধতা নিরসনে উপস্থাপন করা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—৮১ কিলোমিটার নদী খননকাজের ক্ষেত্রে অন্যদিকের কাজ সংকুচিত করে হরি, তেলিগাতী নদীর ২০ কিলোমিটার ও আপার ভদ্রার ২২ কিলোমিটার অগ্রাধিকারভিত্তিতে খনন করতে হবে। এছাড়া প্রস্তাবিত টিআরএম বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করে কার্যক্রম শুরু করা, ভবদহে স্লুইস গেটের ২১, ৯ ও ৩ ভেন্টের সব গেট সচল করা, আমডাঙ্গা খালের জমি অধিকরণ ও সংস্কারকাজ বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সম্পাদন করা, মুক্তেশ্বরী, ভৈরব ও মাথাভাঙ্গা নদীর সংযোগ তৈরি এবং সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও দূষণমুক্ত করা।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব চৈতন্য কুমার পাল জানান, নদী খননের মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না বলে মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য বলা হচ্ছে।
সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ জানান, ভবদহ স্লুইস গেটের ২১ ভেন্টের মধ্যে ১৭টি গেট চালু করার সিদ্ধান্তের কথা জানা গেছে। গেটগুলো খুলে দেয়ার পর যে গতিতে পানি নিষ্কাশিত হয়েছে, তার কারণেই এবার জলাবদ্ধতার মাত্রা কম এবং অধিক জমিতে ফসল ফলানো সম্ভব হয়েছে। পাম্পিং ব্যবস্থা যে অকার্যকর তা প্রমাণিত হয়েছে। পাম্পকে কেন্দ্র করে অর্থ অপচয় হয়েছে এবং স্থায়ী জলাবদ্ধতার জন্য পাম্প অন্যতম কারণ, তা জনসমক্ষে প্রতীয়মান হয়েছে। আবারো পাঁচটি পাম্প পানি সেচে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাউবো। কিন্তু এর কোনো প্রয়োজন নেই। এছাড়া আমডাঙ্গা খাল সংস্কারে অর্থ বরাদ্দ ও টেন্ডার হওয়ার পরও জমি অধিগ্রহণে গড়িমসির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে। দ্রুত যদি জমি অধিগ্রহণ ও খাল সংস্কারের কাজ সম্পাদন করা না হয়, তাহলে বর্ষায় এ জনপদ আবারো জলাবদ্ধতার শিকার হবে।


