ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে পৌঁছেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল
মার্চ ৮, ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি
মার্চ ৯, ২০২৬
ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে পৌঁছেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল
মার্চ ৮, ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি
মার্চ ৯, ২০২৬

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী সরকার সর্বস্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতে অঙ্গীকারবদ্ধ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সর্বস্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে।’

‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে গতকাল দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে-বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে ‘‘নারীবিষয়ক দপ্তর’’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় ‘‘মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়’’ যা পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে ‘‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’’-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।’

তারেক রহমান বলেন, ‘নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে “‍ফ্যামিলি কার্ড” চালু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।’

সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিদ্যমান সমাজে সমতা হোক অঙ্গীকার, মর্যাদা হোক বাস্তবতা, আর ক্ষমতায়ন হোক উন্নয়নের ভিত্তি।’

প্রধানমন্ত্রী ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *