
জ্বালানি সংকটে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা পুলিশের প্যাট্রোলিং কার্যক্রম
মার্চ ৭, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে নেপালের জেন-জি আন্দোলনের পরিচিত মুখ বালেন্দ্র শাহ
মার্চ ৭, ২০২৬মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত অবসানে ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা আপাতত নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া কোনো সমঝোতা হবে না। ট্রাম্প লিখেছেন, নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর এবং একজন ‘মহৎ ও গ্রহণযোগ্য’ নেতা নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র তার সাহসী মিত্র ও অংশীদারদের নিয়ে ইরানকে ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে নিরলস কাজ করবে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, তখন ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে আগের চেয়ে আরো বড়, উন্নত ও শক্তিশালী করে তোলা হবে।
অন্যদিকে সিএনএনকে ট্রাম্প জানান, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে এবং তিনি এমন নতুন নেতৃত্ব দেখতে চান, যারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখবে। গতকাল ওই সংক্ষিপ্ত ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরানের পরবর্তী নেতৃত্ব বাছাই প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা থাকতে হবে।
ট্রাম্পের দাবি, এক সপ্তাহ আগেও তেহরান শক্তিশালী ছিল, কিন্তু এখন সেই নেতৃত্বকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়েছে। ট্রাম্প এমনও বলেছেন যে নতুন নেতৃত্ব হতে হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
নতুন নেতৃত্ব কেমন হবে—এ প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, ‘সেটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হলেও চলবে। মূল বিষয় হলো এমন একজন নেতা থাকা, যিনি ন্যায়সংগত হবেন, ভালো কাজ করবেন এবং যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মার্কিন-মিত্র দেশের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।’ ধর্মীয় নেতা হলেও তার আপত্তি নেই বলেও জানান ট্রাম্প।
ইরানের নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রশ্নে ট্রাম্প আবারো ভেনিজুয়েলার উদাহরণ টানেন। তিনি দাবি করেন, ভেনিজুয়েলায় যেমনটি হয়েছে, ইরানেও তেমনটি খুব সহজেই সম্ভব হবে। তবে ট্রাম্পের এ তুলনা বিতর্ক তৈরি করেছে, কারণ ভেনিজুয়েলার বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরেই মতভেদ রয়েছে।
খুব শিগগিরই কিউবার পতন হতে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই কিউবার পতন হতে যাচ্ছে। তারা একটি চুক্তিতে আসার জন্য মরিয়া হয়ে আছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘তারা চুক্তি করতে চায়, তাই আমি ওখানে মার্কো রুবিওকে (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) নিয়োগ করতে যাচ্ছি এবং দেখব সেটা কীভাবে কাজ করে। আমরা এখন বিষয়টিতে বেশ মনোযোগ দিচ্ছি। আমাদের হাতে প্রচুর সময় আছে, কিন্তু ৫০ বছর পর কিউবা এখন প্রস্তুত।’
ট্রাম্প আরো বলেন, ‘আমি ৫০ বছর ধরে এটি পর্যবেক্ষণ করছি এবং আমার কারণেই এটি এখন আমার হাতের নাগালে চলে এসেছে; কিউবা পতনের মুখে এবং তা আমার কোলেই এসে পড়েছে। আমরা খুব ভালো করছি।’


