কে হতে পারেন ইরানের নতুন নেতা
মার্চ ১, ২০২৬
জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত পাচ্ছে ডেপুটি স্পিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্চ ২, ২০২৬
কে হতে পারেন ইরানের নতুন নেতা
মার্চ ১, ২০২৬
জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত পাচ্ছে ডেপুটি স্পিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্চ ২, ২০২৬

ট্রাম্পকে ধন্যবাদ দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরলেন রেজা পাহলভি

তার প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন, গণভোটের মাধ্যমে তার অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে অবাধ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। পাহলভি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

ইরানের প্রয়াত শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি এক নিবন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। গত শনিবার ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক কলামে তিনি ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি অন্তর্বর্তী ক্ষমতা হস্তান্তর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তার দাবি, এই পরিকল্পনা ইরানে কোনো ধরনের ‘ক্ষমতার শূন্যতা’ তৈরি হতে দেবে না। তবে দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে ইরানের বাইরে থাকা পাহলভির এই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার আগেই পাহলভির নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার ঘোষণা দেয়ার সময় ইরানি জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আপনাদের মুক্তির সময় ঘনিয়ে এসেছে।‘ ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে ৬৫ বছর বয়সী পাহলভি লিখেছেন, ‘মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার এই শব্দগুলো ইরানি জনগণকে শক্তি দিয়েছে এবং আমি নিশ্চিত যে, তারা এ সুযোগ কাজে লাগাবে।‘

গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় পাহলভি বিরোধী শিবিরের একাংশের কাছে এক অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন। তার প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন, গণভোটের মাধ্যমে তার অনুমোদন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে অবাধ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। পাহলভি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

তবে পাহলভির এই আশাবাদ সত্ত্বেও খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প তার জনভিত্তি নিয়ে সন্দিহান। গত জানুয়ারিতে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরানের ভেতরে পাহলভির ঠিক কতটা সমর্থন রয়েছে সে ব্যাপারে তিনি নিশ্চিত নন।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে পাহলভি প্রবাসে জীবন কাটাচ্ছেন এবং ইরানের বর্তমান বিরোধী পক্ষগুলো বিভিন্ন আদর্শিক উপদলে বিভক্ত। পাহলভির অনুসারী রাজতন্ত্রপন্থীরা ছাড়াও আরো অনেক গোষ্ঠী রয়েছে যাদের লক্ষ্য ভিন্ন। ফলে দীর্ঘ চার দশক পর বিদেশের মাটিতে বসে পাহলভির দেয়া এই রূপরেখা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের সম্মতির ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *