ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম দ্বিগুণ মিরসরাইয়ে লোকসানে বন্ধ হয়ে গেছে অর্ধেক খামার
মার্চ ১, ২০২৬
রোনালদোর রেকর্ডের পথে বাধা ইভান টনি
মার্চ ১, ২০২৬
ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম দ্বিগুণ মিরসরাইয়ে লোকসানে বন্ধ হয়ে গেছে অর্ধেক খামার
মার্চ ১, ২০২৬
রোনালদোর রেকর্ডের পথে বাধা ইভান টনি
মার্চ ১, ২০২৬

ইরানে হামলাকে ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে নিন্দা মামদানির

তেহরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই এ বিবৃতি দেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট জোহরান মামদানি

ইরানে চলমান বিমান হামলাকে ‘অবৈধ’ ও ‘বিপর্যয়কর উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। হোয়াইট হাউজে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের মাত্র দুই দিন পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদক্ষেপ নিয়ে কড়া মন্তব্য করলেন মামদানি। খবর দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

তেহরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বোমাবর্ষণ শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই এ বিবৃতি দেন ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট জোহরান মামদানি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, এ হামলায় শত শত ইরানি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও রয়েছে। এ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা উসকে দিয়েছে। এরই মধ্যে ইসরায়েলের পাশাপাশি কাতার, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ওপর এ বোমাবর্ষণ কয়েক সপ্তাহ, এমনকি তারও বেশি সময় চলতে পারে।

৩৪ বছর বয়সী মামদানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে ইরানে হামলা চালিয়েছে, তা একটি বেআইনি আগ্রাসী যুদ্ধের উত্তেজনাকে আরো ভয়াবহভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, শহরে বোমাবর্ষণ, বেসামরিক মানুষ হত্যা নতুন যুদ্ধমঞ্চ খুলে দিয়েছে। মার্কিনরা এটা চায় না।

‘অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে’ নিউইয়র্ক শহরে পুলিশের উপস্থিতি জোরদার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জোহরান মামদানি। শহরটিতে বসবাসরত আমেরিকান-ইরানিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা এ শহরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনারা এখানে নিরাপদ থাকবেন।’

ট্রাম্পের এ আকস্মিক সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে মামদানির নিন্দা অনেক শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতার তুলনায় স্পষ্ট ও কঠোর।

দুইদিন আগে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন নিউইয়র্কের মেয়র। ওভাল অফিসে ট্রাম্পের পাশে দাঁড়ানো নিজের একটি ছবিও প্রকাশ করেন তিনি।

তীব্র সমালোচনা প্রসঙ্গে পলিটিকোকে মামদানি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সবসময়ই খোলামেলা ও সোজাসাপ্টা। আমরা দুজনই প্রকাশ্যে ও ব্যক্তিগতভাবে নীতিগত মতভেদ স্পষ্ট করে বলি। আর এ মুহূর্তে যেসব পরিণতি নিয়ে আমরা কথা বলছি ব্যাপকতা বিবেচনায় রেকর্ডে থাকা গুরুত্বপূর্ণ।’

নভেম্বরে নির্বাচনের আগে মামদানি ও ট্রাম্পের মধ্যে প্রায়ই বাকযুদ্ধ হতো। তখনকার স্টেট অ্যাসেম্বলি সদস্য মামদানি ট্রাম্পকে ‘ফ্যাসিস্ট’ ও ‘স্বৈরশাসক’ বলে অভিহিত করেছিলেন। অন্যদিকে ট্রাম্প মামদানিকে বলেছিলেন ‘শতভাগ কমিউনিস্ট পাগল’। তবে ২১ নভেম্বর তাদের প্রথম হোয়াইট হাউজ বৈঠক অপ্রত্যাশিতভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *