বিএনপিকে বলব, ১৭ বছর পর তারা ক্ষমতায় এসেছে; নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পরিণতি ভয়াবহ: রুমিন ফারহানা
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্কনীতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে অবৈধ ঘোষণা শেষ সময়ে তড়িঘড়ি চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভুল কি
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
বিএনপিকে বলব, ১৭ বছর পর তারা ক্ষমতায় এসেছে; নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পরিণতি ভয়াবহ: রুমিন ফারহানা
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্কনীতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে অবৈধ ঘোষণা শেষ সময়ে তড়িঘড়ি চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় ভুল কি
ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসন: বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনার শীর্ষে সুপ্রিম কোর্টের ৪ নারী আইনজীবী

ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর এখন আলোচনার কেন্দ্রে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে কারা সংসদে যাচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এবারের মনোনয়ন দৌড়ে পেশাদারিত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতার বিচারে আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সুপ্রিম কোর্টের চার নারী আইনজীবী।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত আসনের জন্য যে নামগুলো শীর্ষ নেতৃত্বে বিবেচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন— অ্যাডভোকেট জাকিয়া হূমায়রা তমা, অ্যাডভোকেট মেহবুবা আক্তার জুই, অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা এবং অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি।

আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের প্রোফাইল:
অ্যাডভোকেট জাকিয়া হূমায়রা তমা: সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির এই সদস্য তার দৃঢ় নেতৃত্ব এবং দীর্ঘদিনের দলীয় আনুগত্যের কারণে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। দলের দুঃসময়ে আইনি অঙ্গনে তার সক্রিয় ভূমিকা তাকে আলোচনার সামনের সারিতে রেখেছে।

অ্যাডভোকেট মেহবুবা আক্তার জুই: জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা এবং শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা: সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভানেত্রী। মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও গণমাধ্যমে সরব উপস্থিতির কারণে তার মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল বলে মনে করছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি: জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কর্মরত এই আইনজীবী সাংগঠনিক দক্ষতায় বেশ পরিপক্ব। নারীদের আইনি অধিকার রক্ষায় তার দীর্ঘদিনের কাজ দলের ভেতরে প্রশংসিত হয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসনগুলো সাধারণ আসনের ভোটের আনুপাতিক হারে বণ্টিত হয়। এবারের নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে দুই-তৃতীয়াংশ আসন লাভ করায় সংরক্ষিত ৫০টি আসনের বড় একটি অংশ বিএনপির ভাগে যাচ্ছে। দলীয় সংসদীয় বোর্ড চূড়ান্ত মনোনয়নের ক্ষেত্রে প্রার্থীর অতীত সংগ্রাম, দলের প্রতি ত্যাগ, পেশাগত দক্ষতা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থাকেই প্রধান মানদণ্ড হিসেবে দেখছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণী আলোচনায় দক্ষ আইনজীবীদের উপস্থিতি দলের ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করবে। আলোচিত এই চার আইনজীবী যদি শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পান, তবে তা দেশের নারী সংসদীয় রাজনীতিতে একটি পেশাদারী আমেজ নিয়ে আসবে।

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই দলীয় মনোনয়ন বোর্ড যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *