মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ সরকারের
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ সরকারের
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সব সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন

দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রথম কার্যদিবসে গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রথম কার্যদিবসে গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা মেয়রদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচন কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এগুলোতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করব। যত দ্রুত সম্ভব এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

জেলা পরিষদ, উপজেলা ও পৌরসভার বর্তমান শূন্যতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্থানীয় সরকারের অনেক পদ বর্তমানে ফাঁকা রয়েছে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমে এ শূন্যতা পূরণ করার চেষ্টা করব। এটি রাতারাতি সম্ভব নয়, তবে ইমিডিয়েটলি (অবিলম্বে) আমরা প্রক্রিয়ায় যাব।’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুসংহত করা।’ তিনি বলেন, ‘জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী ও দুর্নীতিমুক্ত করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটি বড় লক্ষ্য নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মূল দর্শন হলো বিল্ড দ্য নেশন (জাতি পুনর্গঠন)। ওনার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই মন্ত্রিসভা কাজ করছে। আমাদের প্রতিটি কাজের মূলে থাকবে গণতন্ত্র।’

এক সাংবাদিক বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা, অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতির ভঙ্গুর অবস্থা। তখন মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা যতটা খারাপভাবে দেখছেন, অতটা খারাপ না। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে। ম্যাক্রো ইকোনমিক স্ট্যাবিলিটি অনেকটাই ফিরে এসেছে। ব্যাংক তো অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এগুলো তো ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। আমরা মনে করি, সমন্বিত প্রচেষ্টায় এটাকে আরো ভালো করতে পারব।

মব সহিংসতা মোকাবেলায় কী ভাবছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই এটাকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা যতটুকু খারাপ ছিল, এটাকে ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করতেই হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে একটা বড় ঝড় গেছে। দেশে একটা বিদ্রোহ, গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে। একদিনে সব ঠিক হয়ে যাবে না। নির্বাচিত সরকার এসেছে। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিষয়ে বিএনপি সরকারের অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা আমরা পলিটিক্যালি পরে আপনাদের জানাব। সরকারে আলোচনার পর জানাব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *