অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব পেলে ‘বিডিআর’ নাম পুনর্বহাল করতে চাই
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব পেলে ‘বিডিআর’ নাম পুনর্বহাল করতে চাই
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

জিয়াউল আহসানের মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে ইকবাল করিম ভূঁইয়া

জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক মানুষকে গুম করে হত্যার ঘটনায় তিনটি অভিযোগ এনে গত ১৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন। এ মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসান। এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হবে কি না, সে বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল।

মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে এসেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে তিনি হাজির হয়েছেন।

জিয়াউলের বিরুদ্ধে শতাধিক মানুষকে গুম করে হত্যার ঘটনায় তিনটি অভিযোগ এনে গত ১৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছিল প্রসিকিউশন। এ মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসান। এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হবে কি না, সে বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল।

আজ জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ আসামিপক্ষের বক্তব্য উপস্থাপনের দিন ধার্য রয়েছে। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গত ৪ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন। শুনানিতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শতাধিক গুম-খুনের দায়ে তিনটি অভিযোগ পড়ে শোনান চিফ প্রসিকিউটর।

জিয়াউলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের প্রথমটি হলো— ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।

দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খাল ঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেয়া।

এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়া হয়। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *