১২ ফেব্রুয়ারি ভোট সেনাবাহিনীর পেশাদারত্বের ওপরই গণতন্ত্রে উত্তরণ
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
ভোট দেখতে আসা বিদেশী পর্যবেক্ষকদের প্রটোকল দেবে ইসি
ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬শনিবার রাতে এক ভিডিওবার্তায় হুমকির বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আখতার হোসেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা যাবে না। জনগণের সমর্থন নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কোনো হুমকিতে আমরা পিছপা হবো না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের পীরগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
জিডিতে আখতার হোসেন উল্লেখ করেছেন, আমি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬ উপলক্ষে সংসদীয় আসন নম্বর-২২, রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) থেকে ১১ দল সমর্থিত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী। শনিবার বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে পীরগাছা থানাধীন ছাওলা ইউনিয়নের কিশামত গ্রামে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলানোর সময় অপরিচিত একটি মোবাইল নম্বর থেকে আমার ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরে ফোন করে প্রাণনাশের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে কল কেটে দেয়া হয়।
শনিবার রাতে এক ভিডিওবার্তায় হুমকির বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন আখতার হোসেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা থামিয়ে রাখা যাবে না। জনগণের সমর্থন নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কোনো হুমকিতে আমরা পিছপা হবো না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আদর্শ ও কর্মসূচি দিয়ে। হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের রাজনীতিতে জনগণ বিশ্বাস করে না। সারা দেশের ন্যায় আমার নির্বাচনী এলাকায়ও শাপলা কলির নেতাকর্মীদের হুমকি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজ বিকালে অপরিচিত নাম্বার একটা কল আসে। আমাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ দেয়। এবং বলে নির্বাচনের পরে দেখে নেবে এবং আমিসহ আমার পরিবারকে মেরে ফেলবে, এসব বলে আমাকে হত্যার হুমকি দেয়।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


