এলপিজিতে কর কাঠামো পুনর্গঠন আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬
ছুটির সকালে ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬
এলপিজিতে কর কাঠামো পুনর্গঠন আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬
ছুটির সকালে ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

জামায়াতকে যারা ইসলামী দল বলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে —রেজাউল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনী ইশতাহার প্রকাশ করেছি। জামায়াতসহ অন্যান্য দলও ইশতাহার প্রকাশ করেছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনী ইশতাহার প্রকাশ করেছি। জামায়াতসহ অন্যান্য দলও ইশতাহার প্রকাশ করেছে। ইশতাহারে আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি, শরিয়তকে প্রাধান্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করা হবে। জামায়াত কোথাও ইসলামের কথা বলেনি। এর পরও কেউ যদি জামায়াতকে ইসলামী দল বলে, আমি বলব তারা বোকার স্বর্গে বাস করে।’

গতকাল ঝালকাঠি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলন ঝালকাঠি জেলার সভাপতি হাফেজ আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ঝালকাঠি-২ আসনে দলটির প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী ও ঝালকাঠি-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে চরমোনাই পীর বলেন, ‘জামায়াতের মতো এত বড় মিথ্যাবাদী দ্বিতীয়টি আর নেই। এ দেশ আলেম-ওলামায়ের দেশ। এ পবিত্র জমিনে ইসলাম থাকবে না তা হতে পারে না।’

মনে করেছিলাম আমরা একা হয়ে গেছি, কিন্তু আমরা একা না। আল্লাহ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন, আলেমরা রয়েছেন, দেশপ্রেমিকরা রয়েছেন, ইসলাম প্রেমিকরা রয়েছেন।’

রেজাউল করীম বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ইসলামের পক্ষে একটি বাক্স দেব। এ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সামনে নিয়ে আমরা যখন কাজ করেছিলাম, অনেক ইসলামী দল প্রথম অবস্থায় আমাদের সঙ্গে সমঝোতায় ছিল। রাস্তায় চলার পথে জামায়াত এসে এখানে ঢুকল, তার সঙ্গে আরো কিছু দল এল। যখন সারা দেশের মানুষ আমাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করল, তখন দেশ প্রেমিকের পরিবর্তে, ইসলাম প্রেমিকের পরিবর্তে ক্ষমতা প্রেমিকরা এখানে ছোবল দিল।’

তিনি বলেন, ‘গত ৫৪ বছরে যারা দেশ পরিচালনা করেছেন, তাদের সময়েই বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে এবং বিদেশে গড়ে উঠেছে বেগম পাড়া।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *