
নরসিংদীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে শিশু নিহত
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬
গাইবান্ধা-২ আসনে জনতার মুখোমুখি প্রার্থীরা
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬-এ নাগরিকদের জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও যাচাইকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল হেল্পলাইন ‘৩৩৩’ তথ্যসেবা চালু করেছে সরকারি প্রোগ্রাম এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬-এ নাগরিকদের জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও যাচাইকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল হেল্পলাইন ‘৩৩৩’ তথ্যসেবা চালু করেছে সরকারি প্রোগ্রাম এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)। নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় এ বিশেষ তথ্যসেবা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নাগরিকবান্ধব করা।
গতকাল ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে টোল ফ্রি নম্বর ৩৩৩-তে কল করে ৯ প্রেসের মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাবেন। এ সেবার আওতায় ভোটাররা ভোট প্রদানের নিয়ম ও পদ্ধতি, ভোট কেন্দ্রের অবস্থান, জাতীয় পরিচয়পত্র-সংক্রান্ত তথ্য, নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, প্রবাসীদের ভোট প্রদানের নিয়ম, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধার পাশাপাশি জরুরি নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর সম্পর্কে জানতে পারবেন।
এতে আরো বলা হয়েছে, এছাড়া নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ‘স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি ও পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে পাইলট আকারে চালু হওয়া এ বিশেষ সেবার মাধ্যমে এরই মধ্যে ১ হাজার ৬৪৩ জন নাগরিক তথ্য ও সহায়তা নিয়েছেন।
একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি-সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ, সম্ভাব্য অস্থিরতা আগাম শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করার একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবে ৩৩৩-এর ৯ নম্বর ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে। তবে এটি সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোল রুম হিসেবে কাজ করবে না, বরং একটি ‘ইনফরমেশন ইনটেক, আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডি সিস্টেম’ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্য ৯৯৯ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জাতীয় হেল্পলাইন ৩৩৩-এর এই তথ্যসেবা নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভ্রান্তি, গুজব ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং একটি স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।


