
বিএনপি ওপেনে ‘হ্যাঁ’ কিন্তু গোপনে ‘না’এর কার্যক্রম চালাচ্ছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬
ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু
ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬চলমান অস্থিরতার মধ্যে পৃথক দুটি আদেশে গতকাল একযোগে ১২ কর্মীকে বদলি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চলমান অস্থিরতার মধ্যে পৃথক দুটি আদেশে গতকাল একযোগে ১২ কর্মীকে বদলি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। জরুরি দাপ্তরিক ও অপারেশনাল প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে এসব কর্মীকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে ঢাকায় বিভিন্ন দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে গত দুইদিনে বন্দরে মোট ১৬ কর্মীকে বদলি করা হলো।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ পার্সোনেল অফিসার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশগুলোতে জানানো হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বদলির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওই তারিখেই বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা এবং কর্মচারীদের বদলির প্রতিবাদে আজ সকাল ৮টা থেকেও ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন বন্দর শ্রমিক ও কর্মচারীরা। ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
গতকাল সকাল ৮টায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর বন্দরের এনসিটিসহ তিন টার্মিনালে পরিচালন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। জাহাজ থেকে কনটেইনার উঠানো-নামানোর কার্যক্রমে প্রায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। বিকাল ৪টার পর শ্রমিকরা কাজে যোগ দিলেও দীর্ঘ সময় কাজ বন্ধ থাকায় বন্দরে পণ্য ডেলিভারির বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ জট সৃষ্টি হয়।
এনসিটি ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক বদলির আদেশ জারি হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বন্দর অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বন্দরের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এনসিটি বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা না করে বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্টো দমনমূলক পথে হাঁটছে। একের পর এক বদলি আদেশ আসছে। এতে পরিস্থিতি আরো জটিল হবে। এর প্রতিবাদে সোমবারও আমরা ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করছি।’
বন্দর কর্তৃপক্ষ অবশ্য তাদের কর্মীদের বদলিকে নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উল্লেখ করছে। চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) ওমর ফারুক বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বদলির আদেশগুলো একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। দাপ্তরিক ও অপারেশনাল প্রয়োজনে যেকোনো সময় যে কাউকে বদলি করা যায়। যাদের বদলি করা হয়েছে, তারা নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছে কিনা সে বিষয়েও আমরা রিপোর্ট নেব।’


