
আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসে বরিশালে সেমিনার
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
তফসিলের পর ১৪৪ সহিংস ঘটনা, সংঘর্ষ বেশি কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুরে চার রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬২০৫০ সালের বাংলাদেশের কৃষি হবে আরো টেকসই, জলবায়ু সহনশীল, উদ্ভাবনভিত্তিক, বাজারমুখী ও অধিক উৎপাদনশীল। সে লক্ষ্য সামনে রেখে ২৫ বছর মেয়াদি একটি দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনামূলক মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
২০৫০ সালের বাংলাদেশের কৃষি হবে আরো টেকসই, জলবায়ু সহনশীল, উদ্ভাবনভিত্তিক, বাজারমুখী ও অধিক উৎপাদনশীল। সে লক্ষ্য সামনে রেখে ২৫ বছর মেয়াদি একটি দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনামূলক মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ‘ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০’ শীর্ষক এ রোডম্যাপ শুধু উৎপাদন বাড়ানোর কৌশল নয়, বরং দেশের পুষ্টিনিরাপত্তা, খাদ্যনিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজন, আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নের সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরছে।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জাতীয় কর্মশালায় মহাপরিকল্পনার খসড়া উপস্থাপন করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) যৌথভাবে কর্মশালাটি আয়োজন করে।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘এটি বাংলাদেশের কৃষির ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আগামী ২৫ বছরে কৃষির রূপান্তর দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন শুধু কৃষি খাত নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হবে।’
কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান নয়, বরং আগামী ২৫ বছর বিশেষ করে ২০৫০ সাল পর্যন্ত কৃষি খাতকে কোথায় দেখতে চাই, সে ভিশন বাস্তবায়ন করা। ২০৫০ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধির হিসাব ধরে মানুষের খাদ্য চাহিদার পাশাপাশি পশুপাখি ও বন্যপ্রাণীর খাদ্য চাহিদাকেও সমন্বিতভাবে বিবেচনায় নেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া মানুষের খাদ্যের পাশাপাশি নন-হিউম্যান কনজাম্পশন হিসাব করে নিট চাহিদা নির্ধারণের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।’
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের কৃষি রূপান্তরের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
এ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কৃষিকে ১৩টি থিম্যাটিক এরিয়ায় ভাগ করে গভীর ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পুষ্টিনিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, কৃষি মূল্যসংযোজন, কৃষি প্রযুক্তি, কৃষিশিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষিবাজার ব্যবস্থাপনা, ভর্তুকি, যান্ত্রিকীকরণ, কোল্ড চেইন, গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস (গ্যাপ), স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) কমপ্লায়েন্সসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।


