২০ বার সংস্কারের উদ্যোগ সত্ত্বেও কমেনি সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
সব সূচকেই পিছিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
২০ বার সংস্কারের উদ্যোগ সত্ত্বেও কমেনি সরকারি কর্মচারীদের দুর্নীতি
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬
সব সূচকেই পিছিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বের হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। হোয়াইট হাউজ বলেছে, ডব্লিউএইচওর কাঠামোর বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখবে। খবর এবিসি নিউজ।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এক বছর আগে ডব্লিউএইচও থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করে। জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ ডব্লিউএইচও ছাড়ার এক বছর আগে কর্তৃপক্ষকে জানাতে বাধ্য। ট্রাম্প গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করলে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি ডব্লিউএইচওকে জানিয়েছিল।

এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ডব্লিউএইচও তাদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে বলে মনে করে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের বিশ্বাস, ডব্লিউএইচও সংস্কার, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘কভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা বিশেষভাবে সমালোচিত হয়েছে। তারা ওই মহামারীকে বৈশ্বিকভাবে স্বাস্থ্যগত জরুরি ঘোষণা করতে দেরি করেছিল।’ সংস্থাটি অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, চীন ও অন্য দেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে বেশি অনুদান দিয়েছে। অথচ কখনো কোনো মার্কিন নাগরিক ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক হননি।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সময়কালের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ২৭ কোটি ডলারের বেশি অনুদান বকেয়া আছে। তবে এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মতে, ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে ডব্লিউএইচওর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে এ অর্থ পরিশোধে বাধ্য নয়।

এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ৬৩টি দেশে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের দুই হাজারের বেশি কর্মী রয়েছে। শতাধিক দেশের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি রয়েছে। রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় এবং প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় ডব্লিউএইচওকে ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে বলে উল্লেখ করেছেন ওই কর্মকর্তা।

ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র জানান, সংস্থাটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে নির্বাহী বোর্ডের সভায় আলোচনা হবে। পরিচালনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *